টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি: বোন-ভাগনেসহ ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ দাফন
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ ও ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কক্সবাজারের ইনানীতে অবস্থিত টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে পুড়ে নিহত নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একই পরিবারের তিন সদস্যের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার বাদজোহর ফতুল্লার দাপা বায়তুল নাজাত জামে মসজিদে তিনজনের জানাজা শেষে দাপা ইদ্রাকপুর কবরস্থানে দাদার কবরের পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামি, বড় বোন ফারিয়া কবির ও ফারিয়ার সাত বছরের ছেলে ফাইজান নূরকে দাফন করা হয়েছে।
কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় নিহত নাফিজ তেহামি, তার বড় বোন ফারিয়া কবির ও ভাগনে ফাইজান নূরের লাশ হস্তান্তরের পর বুধবার দুপুরে আনা হয় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়।
নাফিজ তেহামির বয়স হয়েছিল ২৪ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার’ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। তাকে ঘিরে পরিবারের ছিল অনেক স্বপ্ন। মেধাবী এই তরুণ একদিন প্রতিষ্ঠিত হবেন, পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করবেন— এমন প্রত্যাশা ছিল স্বজনদের। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন শুধুই স্মৃতি।
অন্যদিকে ফারিয়া কবিরের সাত বছরের ছেলে ফাইজান নূর পড়ত চুয়াডাঙ্গার প্রদীপন মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠে, কেজি টু শ্রেণিতে। একই পরিবারের তিনজনের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা। শোকের পাশাপাশি তাদের কণ্ঠে উঠে আসছে ক্ষোভও।
নাফিজের বাবা জিহাদুল কবির বলেন, এই ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। রিসোর্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনায় যথাযথ সতর্কতা থাকলে হয়তো এমন পরিণতি এড়ানো যেত। এখন তাদের একটাই প্রশ্ন— প্রিয়জনদের হারানোর এই দায় কে নেবে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়।
