একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যেত গলাকাটা ঘোড়া, জেনে নিন!

  কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সুলতানি আমলের মসজিদ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সুলতানি আমলের মসজিদ। ছবি: যুগান্তর

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বারোবাজার এলাকায় রয়েছে সুলতানি আমলের ১৯টি মসজিদ, যা মাটির নিচে ছিল। মাঠি খুঁড়ে এই মসজিদগুলো বের করা হয়েছে। এর মধ্যে গলাকাটা মসজিদ অন্যতম। ২১ ফুট লম্বা ও ১৮ ফুট চওড়া মসজিদটি খনন করা হয় ১৯৯২-৯৩ সালে।

বারোবাজার প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা আন্দোলনকারীদের সদস্য সনজিৎ কুমার জানান, তারা বৃদ্ধদের মুখে গল্প শুনেছেন, মসজিদের পাশের দীঘির ওপর দিয়ে রাতে গলাকাটা ঘোড়া চলত। তাই মানুষ এর নাম দিয়েছে গলাকাটা মসজিদ। যে নাম এখনও রয়েছে।

মসজিদটি বারোবাজার শহর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার পশ্চিমে। এ মসজিদে রয়েছে ছয়টি গম্বুজ। ভেতরে রয়েছে দুটি কষ্টিপাথরের মিনার। মসজিদটি খনন করার সময় একটি হাতে লেখা কোরআন শরিফ ও একটি তলোয়ার পাওয়া যায়, যা মসজিদের ভেতরে সংরক্ষিত।

বারোবাজার প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রক্ষণাবেক্ষণ আন্দোলনের অন্যতম সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, গলাকাটা মসজিদের মতো এ এলাকার অনেক মসজিদ দীর্ঘদিন ধরে মাটির নিচে ছিল। স্থানটি ছিল উঁচু ঢিবি। এ ঢিবির ওপর জঙ্গল ও বড় বড় গাছপালা গজিয়ে উঠেছিল।

তিনি বলেন, খনন করার সময় প্রাপ্ত শিলালিপি দেখে জানা যায় মসজিদগুলো সুলতানি শাসন আমলের তৈরি। একসময় এ জনপদে বাস করতেন প্রাচীন রাজারা।

মসজিদে নামাজ পড়তে আসা বৃদ্ধ আবদুল খালেক জানান, সুলতানি আমলের মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসেন। তিনি গলাকাটা মসজিদের নিদর্শনগুলোর যথাযথ সংরক্ষণের ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×