চৌগাছার বিপুল হত্যা মামলার আসামি রফিকুল কারাগারে
Advertisement
যশোর ব্যুরো
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২০, ১০:৩৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যশোরের চৌগাছার হিজলী গ্রামের বিপুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে ঢাকার আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাদী হাসানের আদালতে রফিকুলকে সোপর্দ করা হয়। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আসামি রফিকুল চৌগাছা উপজেলার দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এসআই শামীম হোসেন জানান, গত ৫ জুন সকালে চৌগাছা উপজেলার বেড়গোবিন্দপুর মুলিখালী বটতলার রাস্তার পাশের একটি ঝোপ থেকে হিজলী গ্রামের শামসুল হোসেনের ছেলে বিপুল হোসেনের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এ মামলার অন্যতম আসামি একই উপজেলার দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিপুলকে হত্যার পর রফিকুল ঢাকায় পালিয়ে যান। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রোববার ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি আলমসাধু উদ্ধার করা হয়।
এসআই শামীম হোসেন জানান, সোমবার রফিকুল ইসলামকে যশোরের আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তিনি আরও জানান, রফিকুল আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে বলেছেন, তার শাশুড়ি হিজলী গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আবু শামার স্ত্রী ফুলবানুর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বিপুল হোসেনের। এরই জের ধরে ফুলবানুর জামাই রফিকুল ইসলাম ও ছেলে সবুজ হোসেনসহ কয়েকজন মিলে ৩ জুন গরু কেনার কথা বলে কৌশলে ডেকে এনে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশ বস্তাবন্দি করে বেড়গোবিন্দপুর বাঁওড়ের মুলিখালী বটতলার রাস্তার পাশের একটি ঝোপের পাশে ফেলে রাখা হয়।
এসআই জানান, ৫ জুন সকালে ডিবি পুলিশ সেখান থেকে বিপুল হোসেনের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় চৌগাছা থানায় মামলা হলে ডিবি পুলিশ সবুজ হোসেন, ফুলবানু ও তুহিন নামে তিনজনকে আটক করে। তবে ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন ফুলবানুর জামাই মামলার অন্যতম আসামি রফিকুল ইসলাম।
