স্ত্রীকে হত্যার পর মেয়েকে ফোন করে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ যুবকের
jugantor
স্ত্রীকে হত্যার পর মেয়েকে ফোন করে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ যুবকের

  কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

২০ আগস্ট ২০২০, ১৮:৩৫:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্ত্রীকে হত্যার পর তার স্বামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে মেয়েকে ফোন করে উপজেলার চান্দরা মণ্ডলপাড়া এলাকায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন তিনি।

নিহতরা হলেন- কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা মণ্ডলপাড়া এলাকার সুনাম উদ্দিনের ছেলে দুলাল উদ্দিন (৪০) ও দুলালের দ্বিতীয় স্ত্রী আয়শা বেগম।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় দুলাল তার দ্বিতীয় স্ত্রী আয়শাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। সকালে তার মেয়ের কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় দুলাল। সকাল ৯টার দিকে তিনি তার মেয়েকে ফোন দিয়ে জানিয়ে দেন তার মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমাকে ক্ষমা করে দিস মা- এ কথা বলেই ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

এরপর তিনি আর ফোন ধরেনি। কিছুক্ষণ পর অপর এক ব্যক্তি তার ফোন রিসিভ করে জানান, মোবাইলের মালিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন নিহতের লাশ উদ্ধার করে উপজেলার কালামপুর এলাকায় তার বাড়িতে যান। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ চান্দরা মণ্ডলপাড়া এলাকায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত আয়শা বেগমের লাশ উদ্ধার করে।

কালিয়াকৈর থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, দুলাল একটু উগ্র মেজাজের ছিল। তার তিনটি স্ত্রী আছে। রাতের কোনো এক সময় তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী আয়শাকে হত্যার পর নিজে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তিনি জানান, আয়শা বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া নিহত দুলাল উদ্দিনের লাশ রেলওয়ে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

স্ত্রীকে হত্যার পর মেয়েকে ফোন করে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ যুবকের

 কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
২০ আগস্ট ২০২০, ০৬:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্ত্রীকে হত্যার পর তার স্বামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে মেয়েকে ফোন করে উপজেলার চান্দরা মণ্ডলপাড়া এলাকায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন তিনি।

নিহতরা হলেন- কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা মণ্ডলপাড়া এলাকার সুনাম উদ্দিনের ছেলে দুলাল উদ্দিন (৪০) ও দুলালের দ্বিতীয় স্ত্রী আয়শা বেগম।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় দুলাল তার দ্বিতীয় স্ত্রী আয়শাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। সকালে তার মেয়ের কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় দুলাল। সকাল ৯টার দিকে তিনি তার মেয়েকে ফোন দিয়ে জানিয়ে দেন তার মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমাকে ক্ষমা করে দিস মা- এ কথা বলেই ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

এরপর তিনি আর ফোন ধরেনি। কিছুক্ষণ পর অপর এক ব্যক্তি তার ফোন রিসিভ করে জানান, মোবাইলের মালিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন নিহতের লাশ উদ্ধার করে উপজেলার কালামপুর এলাকায় তার বাড়িতে যান। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ চান্দরা মণ্ডলপাড়া এলাকায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত আয়শা বেগমের লাশ উদ্ধার করে।

কালিয়াকৈর থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, দুলাল একটু উগ্র মেজাজের ছিল। তার তিনটি স্ত্রী আছে। রাতের কোনো এক সময় তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী আয়শাকে হত্যার পর নিজে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তিনি জানান, আয়শা বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া নিহত দুলাল উদ্দিনের লাশ রেলওয়ে পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন