রংপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
Advertisement
রংপুর ব্যুরো
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ এএম
অভিযুক্ত মিনারুল ইসলাম (২৭)।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রংপুরের পীরগঞ্জে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ৪ দিন ধরে অজ্ঞাত এক বাড়িতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মিনারুল ইসলাম (২৭) কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই কিশোরীকে গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় ৪ অক্টোবর রাতে একটি নির্জন সড়কে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ওই কিশোরীকে ৫ অক্টোবর রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পুলিশের পাহারায় চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
প্রাথমিকভাবে পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ ও ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ থানার পাঁচগাছি গ্রামের দরিদ্র শহিদুল ইসলামের ১৪ বছর বয়সি মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশি গ্রাম বিরাহিমপুর শাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. মিনারুল ইসলাম ডেকে নেয়।
এর পর ৫-৬ জন যুবক একটি অটো ভ্যানে করে ওই কিশোরীকে রংপুরের একটি অজ্ঞাত বাড়িতে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণ করে। চারদিন ধরে তার উপর পালাক্রমে সংঘবদ্ধ করে মিনারুলসহ তার তিন সঙ্গী। এক পর্যায়ে ৪ অক্টোবর ওই কিশোরী রাতে গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে, ধর্ষকরা একটি সিএনজিতে করে আনুমানিক রাত ৯ টায় পীরগঞ্জ উপজেলার জামতলায় ফাঁকা সড়কে ফেলে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে তার বাবা শহিদুলের নিকট হস্তান্তর করেন। পরের দিন ৫ অক্টোবর বিকালে অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পীরগঞ্জ থানায় গেলে, কিশোরীকে রংপুরের পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে মাধ্যমে রমেক হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। সেখানে তার ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ এবং নিবিড় চিকিৎসা চলছে।
পীরগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল হক জানান, ফরেন্সিক বিভাগের রিপোর্ট আসলেই মামলা রেকর্ডসহ সব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

