Logo
Logo
×

Advertisement

ডাক্তার আছেন

মাম্পসের কারণে স্থায়ী বন্ধ্যত্বসহ যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ পিএম

মাম্পসের কারণে স্থায়ী বন্ধ্যত্বসহ যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে

ফাইল ছবি

Advertisement

মাম্পস সাধারণত একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ, যা লালা গ্রন্থি কিংবা প্যারোটিড গ্ল্যান্ডকে আক্রমণ করে থাকে। শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা গেলেও প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা বড়দের ক্ষেত্রে মাম্পসের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জটিলতা শিশুদের তুলনায় অনেক বেশি মারাত্মক এবং বিপজ্জনক হতে পারে। বয়ঃসন্ধির পর কেউ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। 

কারণ শিশুদের নানা রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাধারণ চিকিৎসায় তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু এমন কিছু রোগ রয়েছে, যা মারাত্মক জটিলতা বয়ে আনতে পারে। আর এটি হচ্ছে মাম্পস রোগ, যা ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। মানবদেহের কানের সামনে দুই চোয়ালের কোণায় বিদ্যমান প্যারোটিড গ্ল্যান্ড বা লালা গ্রন্থিকে সংক্রমিত করে থাকে এই মাম্পস রোগ।

এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলেন, মাম্পস অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। এতে সংক্রমিত হলে ওই ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস, হাঁচি-কাশি কিংবা ব্যবহার্য জিনিসপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসটি। জ্বর আসার সময় থেকে শুরু করে লালা গ্রন্থি ফোলার পরবর্তী পাঁচ দিন পর্যন্ত এটি ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি থাকে।

আর এটি খানিকটা বিপত্তিও ঘটে। বড়দের ক্ষেত্রে যদি সঠিক যত্ন না নেওয়া হয়, তবে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন— অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ, পুরুষের ক্ষেত্রে অর্কাইটিস প্রদাহ বা স্থায়ী বন্ধ্যত্ব, মেয়েদের ডিম্বাশয়ে প্রদাহ এবং মস্তিষ্কে সংক্রমণ বা মেনিনজাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সে কারণে মাম্পস ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, শরীর ব্যথা ও মাথাব্যথা দেখা দিয়ে থাকে। এর পাশাপাশি গলার দুই পাশের লালা গ্রন্থি ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। সাধারণত ৫-৭ দিনের মধ্যে এসব সমস্যা কমতে থাকে। যদিও এ সংক্রমণের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। এটি আপনাআপনিই ভালো হয়ে যায়। তবে জ্বর ও ব্যথার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সেই সঙ্গে প্যারাসিটামল, প্রচুর তরল খাবার খাওয়া এবং রোগীকে আলাদা রাখা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, মাম্পস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে—  এমএমআর ভ্যাকসিন নেওয়া। শিশুদের নিয়মমাফিক দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তির মাস্ক পরতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শও দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নারীদের প্রস্রাবে ইনফেকশন কেন হয়, যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

নারীদের প্রস্রাবে ইনফেকশন কেন হয়, যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মানতে হবে ৫ নিয়ম

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মানতে হবে ৫ নিয়ম

অকারণে ওজন কমছে, থাইরয়েড কিনা— লক্ষণগুলো খেয়াল করুন

অকারণে ওজন কমছে, থাইরয়েড কিনা— লক্ষণগুলো খেয়াল করুন

মেরুদণ্ডের সুস্থতায় ঘুমানোর সঠিক ভঙ্গি কোনটি?

মেরুদণ্ডের সুস্থতায় ঘুমানোর সঠিক ভঙ্গি কোনটি?

ইউরিন ইনফেকশন হলে যেসব লক্ষণ অবহেলা করা বিপজ্জনক

ইউরিন ইনফেকশন হলে যেসব লক্ষণ অবহেলা করা বিপজ্জনক

কেন ভারতের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিপুল বিনিয়োগ করছে বৈশ্বিক সংস্থাগুলো

কেন ভারতের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিপুল বিনিয়োগ করছে বৈশ্বিক সংস্থাগুলো

আরও পড়ুন

ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার সময় যে ভুল এড়ানো উচিত

ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার সময় যে ভুল এড়ানো উচিত

জেনে নিন কীভাবে অনিয়মিত পিরিয়ড নিয়মে পরিণত করা যায়

জেনে নিন কীভাবে অনিয়মিত পিরিয়ড নিয়মে পরিণত করা যায়

মাম্পসের কারণে স্থায়ী বন্ধ্যত্বসহ যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে

মাম্পসের কারণে স্থায়ী বন্ধ্যত্বসহ যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে

১০-২০ বছরের পুরোনো মাথাব্যথা যে উপায়ে সারতে পারে ২-৩ সপ্তাহে

১০-২০ বছরের পুরোনো মাথাব্যথা যে উপায়ে সারতে পারে ২-৩ সপ্তাহে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম