Logo
Logo
×

Advertisement

ডাক্তার আছেন

অন্তঃসত্ত্বার পাইলসের কী চিকিৎসা?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৪৬ এএম

অন্তঃসত্ত্বার পাইলসের কী চিকিৎসা?

প্রতীকী ছবি

Advertisement

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের অনেকে পাইলসের সমস্যায় ভুগেন। এটি একটি বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি। সঠিক চিকিৎসা নিয়ে সহজেই পরিত্রাণ মেলে।

অন্তঃসত্ত্বাদের পাইলসের চিকিৎসায় করণীয় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মলদ্বার ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক। 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাইলস বিনা অস্ত্রোপচারে রক্ষণশীল চিকিৎসায় ভালো করা সম্ভব। প্রথমত আসছি কোষ্ঠ ব্যবস্থাপনায়। মল যাতে শক্ত না হয় এবং মলত্যাগে কষ্ট না হয় তার ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ জন্য বেছে খাবার খেতে হবে যাতে কোষ্ঠকাঠিন্য না হয়। আঁশ জাতীয় খাবার খেতে হবে যেমন শাকসবজি, ফলমূল, ইসুপগুলের ভুসি। গরু এবং খাসির মাংস কম খাওয়া ভালো।

এছাড়া প্রয়োজনে জুলাফ বা মল নরম করার ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এর যথেচ্ছ ব্যবহার ক্ষতিকর। এ ওষুধগুলো সঠিক মাত্রায় এবং সঠিক মেয়াদে ব্যবহার করা উচিত। অন্যথায় অভ্যাসে পরিণত হবে।

সিজ বাথ অর্থাৎ গরম পানির সেক দেওয়ায় উপকার পাওয়া যায়। এটির নিয়ম হচ্ছে আধগামলা গরম পানিতে লবণ দিয়ে নিতম্ব ডুবিয়ে ১০ মিনিট, দিনে ২-৩ বার বসে থাকতে হবে।

এতে যদি রোগীর উন্নতি না হয় তাহলে আমরা ইনজেকশন অথবা আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে বিনা অস্ত্রোপচারে এবং বিনা ব্যথায় এর চিকিৎসা করতে পারি। যেহেতু ইনজেকশনের সফলতা আশাব্যঞ্জক ও দীর্ঘস্থায়ী হয় না তাই পাইলসের চিকিৎসায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে এমন ব্যবস্থা যেমন রিং লাইগেশন পদ্ধতি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হতে পারে।

রিং লাইগেশন পদ্ধতি

এ পদ্ধতিতে একটি ছোট্ট যন্ত্রের সাহায্যে পাইলসের চিকিৎসা করা হয়। এটি ডাক্তারের চেম্বারেই সম্ভব। কোনোরূপ অবশ বা অজ্ঞান করার প্রয়োজন নেই। চিকিৎসা পরবর্তী কিছু দিনের ভেতর পাইলসটি আপনাআপনি কেটে পড়ে যায়।

পদ্ধতিটি প্রয়োগের সময় রোগী কোনোরূপ ব্যথা অনুভব করেন না। আমাদের শরীরে যেহেতু তিনটি পাইলস রয়েছে অতএব কিছুদিন পরপর এটি ২-৩ বার করা প্রয়োজন হতে পারে।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান পাইলস বিশেষজ্ঞ ডা. মারভিন এল করম্যান বলেন, এ পদ্ধতিতে চিকিৎসার সাফল্য এত চমৎকার যে ৮০ ভাগ পাইলস রোগী এ চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময় হয়েছেন।

পদ্ধতিটি প্রয়োগের পর কিছু বিশেষ বিশেষ ওষুধ ও উপদেশ দেয়া হয়। এজন্য কোনোরূপ কর্মবিরতি বা ছুটি নেয়ার প্রয়োজন নেই। চিকিৎসার পর রোগী রিকশা বা গাড়িতে অনায়াসে কিছুক্ষণ পরই বাসায় ফিরে যেতে পারেন।

অপারেশন

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আমরা সাধারণত পাইলসের অপারেশন এড়িয়ে থাকি। পাইলসের জটিলতা যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, অপারেশন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই তখন অপারেশন করাই শ্রেয়।

বিশিষ্ট পাইলস বিশেষজ্ঞ ডা. সালিবী ২৫ জন অন্তঃসত্ত্বা মায়ের পাইলস অপারেশন করে এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, ওই গর্ভবতীদের বা তাদের সন্তানদের কোনোরূপ অসুবিধা হয়নি।
 

Advertisement

অন্তঃসত্ত্বা নারী পাইলস

Advertisement

আরও পড়ুন

ক্যানসার চিকিৎসায় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ: বাংলাদেশের জন্য বাস্তবসম্মত পথ

ক্যানসার চিকিৎসায় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ: বাংলাদেশের জন্য বাস্তবসম্মত পথ

ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়ে?

ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়ে?

গ্লাস স্কিন: কাঁচের মতো উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য কী?

গ্লাস স্কিন: কাঁচের মতো উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য কী?

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি যে ১০ মানসিক সমস্যা, শীর্ষে ডিপ্রেশন

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি যে ১০ মানসিক সমস্যা, শীর্ষে ডিপ্রেশন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম