Logo
Logo
×

Advertisement

অর্থনীতি

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ল যেসব কারণে

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১২ পিএম

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ল যেসব কারণে

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও লিটারে প্রায় ১২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

হঠাৎ এলপিজির দাম এতটা বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বিইআরসি জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর অক্টোবর মাসের প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস বা সৌদি সিপির ভিত্তিতে নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবরে প্রোপেনের সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৮০ ডলার এবং বিউটেনের ৭৩০ ডলার। দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ ধরে গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৭১২ দশমিক ৫০ ডলার হিসাব করা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বরে প্রোপেনের সৌদি সিপি ছিল প্রতি টন ৬২৫ ডলার এবং বিউটেনের ৬৬০ ডলার। ওই মাসে গড় সৌদি সিপি ছিল ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৬৪ দশমিক ৭৫ ডলার বেড়েছে।

এ ছাড়া অক্টোবরের মূল্য সমন্বয়ের সময় এলপিজি আমদানির জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম বাবদ টনপ্রতি ২৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়েছে বিইআরসি। সেপ্টেম্বরে এ খাতে ধরা হয়েছিল ১৬০ ডলার। ফলে এক মাসে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম বাবদ হিসাবও টনপ্রতি ৯০ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরে এলপিজির দাম নির্ধারণের সময় প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ১৮ পয়সা ধরা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ১২৩ টাকা ৩০ পয়সা।

এলপিজির পাশাপাশি অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। লিটারপ্রতি ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা।

তবে সরকারি দাম বাড়লেও বাজারে এলপিজির সরবরাহ সংকট কাটেনি। দেশের বেশিরভাগ এলাকায় ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার এখনো ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতেও।

এলপিজির অতিরিক্ত দামের কারণে শুধু বাসাবাড়ির গ্রাহকরাই নয়, বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীরাও বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন।

এদিকে এলপিজির বাজারে চলমান অস্থিরতার জন্য ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা পরস্পরকে দায়ী করছেন। এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অভিযোগ, ২০ সেপ্টেম্বরের পর আমদানিকারকরা সরবরাহ প্রায় ৮০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। এমনকি ২৫ সেপ্টেম্বরের পর কয়েকটি ডিপো থেকেও সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।

অন্যদিকে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমদানিকারকরা। তাদের দাবি, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরাই দায়ী।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নিত্যপণ্য ও এলপি গ্যাসের বাজারে অভিযান, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিত্যপণ্য ও এলপি গ্যাসের বাজারে অভিযান, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

এলপি গ্যাসের দাম একলাফে বাড়ল যত

এলপি গ্যাসের দাম একলাফে বাড়ল যত

এলপি গ্যাসের দাম আরও বাড়ছে, ঘোষণা আসছে

এলপি গ্যাসের দাম আরও বাড়ছে, ঘোষণা আসছে

ঘরের রান্নায় সিলিন্ডার গ্যাসের খরচ কমাবেন যেভাবে

ঘরের রান্নায় সিলিন্ডার গ্যাসের খরচ কমাবেন যেভাবে

এলপি গ্যাস বিক্রি ও মজুত নিয়ে কড়া বার্তা

এলপি গ্যাস বিক্রি ও মজুত নিয়ে কড়া বার্তা

বরিশালে এলপি গ্যাসের জন্য হাহাকার

বরিশালে এলপি গ্যাসের জন্য হাহাকার

আরও পড়ুন

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ল যেসব কারণে

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ল যেসব কারণে

৬ দিন বন্ধ থাকছে ১৯ ব্যাংকের কার্ডসহ বিভিন্ন সেবা

৬ দিন বন্ধ থাকছে ১৯ ব্যাংকের কার্ডসহ বিভিন্ন সেবা

আজকের মুদ্রার রেট: ৫ অক্টোবর ২০২৬

আজকের মুদ্রার রেট: ৫ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ১০০ শতাংশের বেশি

তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ১০০ শতাংশের বেশি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম