Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

গাজার বিপক্ষে প্রতিবাদ করায় ‘নিষিদ্ধ’ হলিউড অভিনেত্রী

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম

গাজার বিপক্ষে প্রতিবাদ করায় ‘নিষিদ্ধ’ হলিউড অভিনেত্রী

Advertisement

গাজায় যুদ্ধবিরতি দাবি করার পর চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা খেয়েছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুসান সারানডন। তিনি বলেন, আমার এজেন্সি আমাকে বরখাস্ত করেছে। বিশেষ করে গাজার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবাদী মিছিল ও বক্তব্য দেওয়ার কারণে। এরপর থেকে হলিউডের বড় প্রজেক্ট কিংবা টেলিভিশনে কাজ করা আমার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। 

সম্প্রতি এক আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন ৭৯ বছর বয়সি অভিনেত্রী সুসান সারানডন। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি ইউরোপে, বিশেষ করে ইংল্যান্ড ও ইতালিতে নতুন এজেন্টের সাহায্যে কাজের সুযোগ পেয়েছেন। 

সুসান সারানডন বলেন, আমি ইতালিতে একটি সিনেমা করেছি এবং থিয়েটারে কয়েক মাস ধরে অভিনয় করেছি। এমনকি কিছু আন্তর্জাতিক পরিচালককে আমাকে তাদের প্রকল্পে নিতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে তারা তা মানেননি। বর্তমানে আমি মূলত স্বাধীন সিনেমা ও ছোট প্রজেক্টে কাজ করছি।

এর আগে ২০২৩ সালে ফিলিস্তিনের পক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার পর সুসান সারানডনের এজেন্সি তার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে দেয়। তার এ ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এরপর থেকে সারানডন ইউরোপের স্বাধীন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ছোট প্রকল্পে কাজ করে যাচ্ছেন।

সুসান সারানডন স্পেনের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতার একটি শক্তিশালী উদাহরণ তুলে ধরেছেন। অভিনেত্রী বলেন, যেখানে দমন ও সেন্সরশিপ আছে, সেখানে স্পেনের প্রেসিডেন্ট এবং সুপরিচিত অভিনেতারা, যেমন হাভিয়ের বারডেম, গাজার জন্য দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করছেন। এটি আমাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

সুসান সারানডন বলেন, শিল্পী হিসেবে কোনো সামাজিক কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার কারণে তার ওপর যেসব চাপ এসেছে, তা শিল্পের স্বাধীনতা এবং মুক্তচিন্তার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। 

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আমার অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—কোনো বড় এজেন্সি বা প্রযোজনা সংস্থা রাজনৈতিক কারণে শিল্পীকে সরিয়ে দিতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে আমার কাজের সুযোগ রয়েছে, যা আমাকে নতুন সম্ভাবনার দিকে নিয়ে গেছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম