Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

বচ্চন পরিবারের সুনাম নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্ন

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩০ পিএম

বচ্চন পরিবারের সুনাম নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্ন

ফাইল ছবি

Advertisement

অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশের অভিযোগের মামলায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু আইনি প্রশ্ন তুলেছেন দিল্লি হাইকোর্ট। 

আদালত জানতে চেয়েছে, কোনো পরিবারের নামের সঙ্গে যুক্ত সুনাম কি প্রজন্মের পর প্রজন্ম উত্তরাধিকারসূত্রে বহমান থাকে এবং থাকলে তা কতদূর পর্যন্ত কার্যকর হয়?

২০২৩ সালে আরাধ্যা বচ্চন একাধিক ইউটিউব চ্যানেলের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন। তার অভিযোগ ছিল, তার স্বাস্থ্য নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে গুরুতর অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি বলে দাবি করা হয়। এমনকি একটি ভিডিওতে তার মৃত্যুরও মিথ্যা দাবি করা হয়েছিল। এসব ভিডিওর মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অনুপ জে ভাম্ভানি বলেন, কোনো পণ্য বা সেবার সঙ্গে যুক্ত ট্রেডমার্কের মূল্য ও সুনাম যেমন থাকে, একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো পারিবারিক নামের সঙ্গে যদি ট্রেডমার্কের মতো সুনাম যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সুনাম প্রজন্মের কতদূর পর্যন্ত বহাল থাকে।

আদালত আরও জানতে চান, পরিবারের কোনো সদস্যের অর্জন, খ্যাতি বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সাফল্যের কারণে যে পারিবারিক সুনাম তৈরি হয়, সেটি পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য কি না।

আরাধ্যার পক্ষে আইনজীবী প্রবীণ আনন্দ যুক্তি দেন, বচ্চন পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করা বা তা ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা বন্ধ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পরিবারের ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং এসব প্রতিবেদনের সঙ্গে বচ্চন নামটিও জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্ট একাধিক ইউটিউব চ্যানেলকে আরাধ্যার স্বাস্থ্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালত বলেছিলেন, একটি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো অত্যন্ত গুরুতর বিষয় এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, প্রতিটি শিশুর সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। শিশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো আইনের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অসহনীয় বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি।

মামলাটি আগামী সেপ্টেম্বরে ফের শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। আরাধ্যার পক্ষ থেকে তার বাবা অভিষেক বচ্চন আদালতে আবেদন করেন। মামলায় বচ্চন পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম