Logo
Logo
×

Advertisement

ইউরোপ

সিএনএনের বিশ্লেষণ

ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গা কি রাজনৈতিক সংকটের লক্ষণ?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ এএম

ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গা কি রাজনৈতিক সংকটের লক্ষণ?

ফ্রান্সে বিক্ষোভ চলাকালে প্যারিসের একটি দোকানে লুটপাট করা হয়। ছবি: এএফপি

Advertisement

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু সোমবার বলেছেন, ‘খোলাখুলি বলতে গেলে, আমাদের সামনে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।’ বাস্তবতা হলো, তার এই বক্তব্যও পরিস্থিতির ভয়াবহতা পুরোপুরি তুলে ধরতে পারেনি।

সপ্তাহজুড়ে দেশটিতে ব্যাপক দাঙ্গা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শত শত মিলিয়ন ডলারের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ও চুরি হয়েছে  বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নগরকেন্দ্রিক বিদ্রোহ, রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অর্থনৈতিক সংকটের এক বিষাক্ত চক্রে আটকে পড়েছে ফ্রান্স।

দেশটির বিভিন্ন বড় শহরে এরই মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগের প্রস্তাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ।

প্যারিস, মার্সেই, বোর্দোসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়। দুই বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কা সামলে টিকে থাকা লিমোজ শহরের সিটি হলও আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটির ঘড়িসংবলিত চূড়াও ধসে পড়েছে।

জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। স্কুলের বেহাল অবস্থা, শিক্ষকের সংকট ও হতাশাজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে ক্ষুব্ধ ফরাসি শিক্ষার্থীরা এসব বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন।

গত শিক্ষাবর্ষের শুরুতে স্কুলকেন্দ্রিক বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ছয় হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক স্কুল। সপ্তাহান্তের সহিংসতার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে।

আগামী সপ্তাহেও নতুন করে বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে। নভেম্বরে ধর্মঘটের পরিকল্পনা করছে শ্রমিক ইউনিয়নগুলো।

আগামী বসন্তে ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগে দেশটিতে অসন্তোষ সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন কট্টর ডানপন্থি প্রার্থী মেরিন লো পেন।


রাজনৈতিক অচলাবস্থা

রোববার টেলিভিশনে দেওয়া জাতির উদ্দেশে ভাষণে সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেননি কিংবা রাজনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টাও করেননি তিনি। বরং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের বিষয়ে রাজনীতিকদের সতর্ক করেন। এরপরই তিন দিনের সফরে উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্দেশে ফ্রান্স ছাড়েন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী লেকর্নুও পাল্টাপাল্টি দোষারোপের পথ বেছে নিয়েছেন। কট্টর বামপন্থি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জিন-লুক মেলেশোঁ পুলিশের কৌশলের সমালোচনা করে সরকারকে ‘বিশৃঙ্খলার দরজা খুলে দেওয়ার’ জন্য দায়ী করেন। জবাবে লেকর্নু বলেন, ‘সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে যারা সহিংসতা ঘটাচ্ছে, তাদের পক্ষে যুক্তি দেওয়া যায় না। এটি আপনাদের রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা।’

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি ন্যাশনাল র্যালি দলের প্রার্থী মেরিন লো পেন এ পরিস্থিতিতে অভিবাসন ইস্যুকে সামনে নিয়ে এসেছেন। তার অভিযোগ, ফ্রান্সের শহরতলির অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলো থেকে আসা অপরাধীরাই সহিংসতার জন্য দায়ী। দেশটির অভিবাসী জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ এসব দরিদ্র শহরতলিতে বসবাস করে।

লো পেন বলেন, ‘আমাদের দেশ সহিংসতা ও অসহায়ত্বের মাঝখানে আটকে পড়েছে।’ ম্যাক্রোঁর ‘বিশৃঙ্খলা’ থেকে দেশকে উদ্ধার করতে কেবল তার কঠোর অবস্থানই পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

ন্যাশনাল র্যালি দলের সভাপতি জর্দান বারদেলাও পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলেন। তিনি ‘অ্যান্টিফা মিলিশিয়া, কট্টর বামপন্থি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও ব্ল্যাক ব্লক গোষ্ঠীকে’ সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্ল্যাক ব্লক গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত পরিচয় গোপন রাখতে একই ধরনের বা কালো পোশাক এবং মুখোশ ব্যবহার করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বিভক্তি ও অচলাবস্থা ফ্রান্সের গভীরতর সংকটের অন্যতম কারণ। ২০২৪ সালে ম্যাক্রোঁর আগাম নির্বাচন আহ্বানের সিদ্ধান্ত উল্টো ফল বয়ে আনে। এরপর থেকেই দেশটির পার্লামেন্ট কার্যত অচল হয়ে পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও এই বিভক্তি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

ফ্রান্সের মধ্যপন্থি রাজনৈতিক বলয় কার্যত বিলীন হয়ে গেছে। ফলে জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে কট্টর ডানপন্থি ন্যাশনাল র্যালি এবং মেলেশোঁর কট্টর বামপন্থি দল ফ্রান্স আনবোড। অন্যদিকে, ম্যাক্রোঁর একের পর এক প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে বাজেট পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের আধুনিক ফরাসি ইতিহাসের অধ্যাপক রবার্ট জারেটস্কি আটলান্টিক সাময়িকীতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে লিখেছেন, মধ্যপন্থি শিবিরের অসংখ্য প্রার্থী, যাদের অনেকেরই জনসমর্থন তুলনামূলক কম, শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে এমন দুই প্রার্থীর একজনের জয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারেন, যাদের দুজনকেই ফ্রান্সের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


ঋণের বোঝা ও অবনতির মনোভাব

বর্তমান সংকট আগে থেকেই গভীরভাবে বিভক্ত ফরাসি সমাজকে আরও মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সহিংসতা নিয়ে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের পাশাপাশি দেশজুড়ে হতাশার আবহ তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি ইপসোস-বিভিএর এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ফ্রান্সের অবনতি ঘটছে। আর ৯৮ শতাংশই দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট।

আগামীতে যে দলই ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসুক না কেন, স্থিতিশীল রাজনৈতিক জোট গঠন করতে পারলেও তাদের নীতিনির্ধারণের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হবে।

ফরাসি অর্থনীতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরম ও শুষ্ক গ্রীষ্মে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দেশটির কৃষকরা। অন্যদিকে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে।

ফ্রান্সের অর্থনীতিতে পর্যটন এখনো গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। তবে গত দুই দিনে দেশটির রাস্তায় সহিংসতার যেসব ভিডিও বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে পর্যটকদের কেউ কেউ ফ্রান্স ভ্রমণে নিরুৎসাহিত হতে পারেন।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সিদ্ধান্তহীনতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ফরাসি ব্যবসায়ীরা। সুদের হার বৃদ্ধির মধ্যে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশটিতে বিনিয়োগ প্রায় ১ শতাংশ কমেছে।

তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে সামনে এসেছে ঋণের বোঝা।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের গবেষকেরা জুলাইয়ে বলেন, ‘ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সের সরকারি ঋণ তালিকার ওপরের দিকে। রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে দেশটির ঋণের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আমরা ধারণা করছি।’

বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছর মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের মাধ্যমে রেকর্ড ৩৪ হাজার কোটি ইউরো ঋণ নিতে হবে ফ্রান্সকে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে সরকারি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৯ শতাংশে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় যা প্রায় দ্বিগুণ।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়ায় সোমবার ফ্রান্সের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার বেড়ে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছায়।

ফ্রান্সের বন্ডবাজারে দেশটির ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মেলেশোঁর একটি পরিকল্পনার কারণে। তিনি ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে থাকা ফরাসি সরকারি বন্ডের সুদ স্থগিত করা কিংবা সেগুলোর ঋণ মওকুফের পরিকল্পনা করেছেন।


অক্সফোর্ড ইকোনমিকস বলেছে, ‘২০২৭ সালের নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও রাজনৈতিক বিভক্তি অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে ফ্রান্সের পরবর্তী সরকারও সরকারি অর্থব্যবস্থার সমস্যাগুলো সমাধান না করে ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখবে।’

সংস্থাটির মতে, এর ফলে বিদ্যমান অনিশ্চয়তা দীর্ঘায়িত হবে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ফরাসিদের কাছে সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বদের একজন, জেনারেল শার্ল দ্য গল একসময় বলেছিলেন, ‘মহানুভবতা ছাড়া ফ্রান্স, ফ্রান্স হতে পারে না।’ দেশের বৈশ্বিক ভূমিকা ও স্বাধীনতা নিয়ে ছিল তার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা।

তবে দীর্ঘ প্রেসিডেন্ট মেয়াদে এক সহযোগীকে তিনি এ কথাও বলেছিলেন, ‘আমি যতক্ষণ পারি, নাটকটি চালিয়ে যাই। এরপর আমার বিদায়ের পর সবকিছু আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে, এ বিষয়ে কোনো বিভ্রম রেখ না।’

১৯৬৮ সালের দাঙ্গার এক বছর পর পদত্যাগ করেন দ্য গল। ওই দাঙ্গা ফ্রান্সকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সেই সময়ের তুলনা টানছেন কোনো কোনো বিশ্লেষক।

ম্যাক্রোঁ যখন প্রেসিডেন্ট হন, তখন তাকে ফরাসিদের কথায় ‘দেক্লিনিসম’ বা দেশের ক্রমাবনতির ধারণার বিপরীতে আশার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছিল। ২০১৬ সালে ফরাসি অভিধান লারুসে শব্দটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়।

এক ভাষ্যকার লিখেছিলেন, ‘তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক ও গঠনমূলক বার্তা দেন, যা ভবিষ্যতের জন্য আশায় ভরপুর। তিনি দেখান, ফ্রান্সের আরেকটি রূপও রয়েছে।’

কিন্তু এক দশক পর ম্যাক্রোঁর জনপ্রিয়তা একাধিক জনমত জরিপ অনুযায়ী ১৫ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। অন্যদিকে, ‘দেক্লিনিসম’ বা দেশের অবনতির ধারণাটি এখনো ফরাসি নাগরিকদের আলোচনায় প্রবলভাবে উপস্থিত। সংকটে জর্জরিত রাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা করছেন তারা, অথচ সেই প্রত্যাশা পূরণের সক্ষমতা ক্রমেই কমে আসছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

উত্তাল ফ্রান্স, বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি

উত্তাল ফ্রান্স, বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি

প্যারিস শিগগিরই একটি মুসলিম নগরীতে পরিণত হবে: ট্রাম্প

প্যারিস শিগগিরই একটি মুসলিম নগরীতে পরিণত হবে: ট্রাম্প

ফ্রান্সের উত্তাল বিক্ষোভের আঁচ প্রবাসীদেরও লাগছে

ফ্রান্সের উত্তাল বিক্ষোভের আঁচ প্রবাসীদেরও লাগছে

দাঙ্গা-লুটপাটে বিপর্যস্ত ফ্রান্স, কারফিউ জারির পথে সরকার

দাঙ্গা-লুটপাটে বিপর্যস্ত ফ্রান্স, কারফিউ জারির পথে সরকার

ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভের মধ্যেই কেন উপসাগরীয় সফরে ম্যাক্রোঁ?

ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভের মধ্যেই কেন উপসাগরীয় সফরে ম্যাক্রোঁ?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রস্তাব নাকচ করলেন ম্যাক্রোঁ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রস্তাব নাকচ করলেন ম্যাক্রোঁ

আরও পড়ুন

সিএনএনের বিশ্লেষণ ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গা কি রাজনৈতিক সংকটের লক্ষণ?

ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গা কি রাজনৈতিক সংকটের লক্ষণ?

উত্তাল ফ্রান্স, বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি

উত্তাল ফ্রান্স, বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি

স্পেনে অতিবৃষ্টি-বন্যায় চারজনের মৃত্যু

স্পেনে অতিবৃষ্টি-বন্যায় চারজনের মৃত্যু

ফ্রান্সে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, কারফিউ জারি

ফ্রান্সে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, কারফিউ জারি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম