নবাবগঞ্জে যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনায় আরও ২ জন গ্রেফতার
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা)
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকার নবাবগঞ্জে যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম সেন্টুকে ডেকে নিয়ে হত্যার ঘটনায় মো. সিয়াম (২৪) ও আশরাফ (২২) নামে আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু হানিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি, নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম সেন্টুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে হত্যা করে লাশ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বিপ্লব হোসেন বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলার পর শাহাদাত দেওয়ান ওরফে শাওন, তামিম আহমেদ, জিহাদুল ইসলাম ওরফে মৃদুল এবং বিকাশ মণ্ডল নামে চার আসামিকে গ্রেফতার করে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশের দাবি, আগের আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. সিয়াম ও আশরাফকে গ্রেফতার করা হয়।
এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের খতিয়া গ্রামের মো. আউশ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় খতিয়া জাগ্রত যুব সংঘের সভাপতি ছিলেন।
সম্প্রতি ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে শোল্লায় একটি ফুটবল খেলার আয়োজন করা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরেই ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। পরে বাড়ির কাছের কালীগঙ্গা নদীর তীরে রক্ত ও বিভিন্ন আলামত দেখতে পান তারা। রাত ১২টার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল করে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কালীগঙ্গা নদীতে তল্লাশি চালালেও লাশ উদ্ধার করতে পারেনি।
