Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

অন্যের রাউটার থেকে নেটের কানেকশন নেওয়া কি জায়েজ?

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ পিএম

অন্যের রাউটার থেকে নেটের কানেকশন নেওয়া কি জায়েজ?

ফাইল ছবি

Advertisement

প্রশ্ন

এক প্রশ্নকারী জানতে চান, আমাদের বাড়িতে একজন ওয়াইফাই সংযোগ নিয়েছে। এখন আমি অনুমতি নিয়ে তার রাউটার থেকে সংযোগ নিয়ে যদি আমার ঘরে একটা রাউটার লাগাই, ল্যান ক্যাবলের মাধ্যমে। তবে কি আমার এই সংযোগটা জায়েজ হবে?

উত্তর 

মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুফতি মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম জানান, ওয়াইফাই সংযোগ বা ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবহার করার বিষয়টি ফিকহের পরিভাষায় ‘ইজারা’ বা চুক্তিভিত্তিক সেবার অন্তর্ভুক্ত। এক্ষেত্রে আপনার সংযোগ নেওয়াটি জায়েজ হবে কি না, তা মূলত নির্ভর করবে যিনি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছ থেকে মূল সংযোগটি নিয়েছেন, তাদের মধ্যকার চুক্তির ওপর।

এখানে দুটি বিষয় লক্ষণীয়।

১. যখন জায়েজ হবে না

যদি মূল সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানির সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি বা শর্ত থাকে যে, ‘এই সংযোগটি কেবল ওই ব্যক্তি বা ওই বাসাতেই ব্যবহার করা যাবে, অন্য কাউকে সাব-কানেকশন দেওয়া যাবে না’—তাহলে মূল গ্রাহকের অনুমতি থাকলেও আপনার জন্য এভাবে লাইন নেওয়া বৈধ হবে না। কারণ, এটি মূল কোম্পানির সাথে করা চুক্তির লঙ্ঘন, যা ইসলামে জায়েজ নেই।

২. যখন জায়েজ হবে

যদি মূল সার্ভিস কোম্পানির পক্ষ থেকে অন্য কাউকে সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকে অথবা তাদের এমন পলিসি থাকে যে, গ্রাহক তার কেনা ব্যান্ডউইথ বা স্পিড নিজের ইচ্ছামতো অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন (যাতে কোম্পানির আলাদা কোনো ক্ষতি বা ব্যয় না হয়)—তবে সেই ক্ষেত্রে শুধু মূল গ্রাহকের (যার রাউটার থেকে লাইন নিচ্ছেন) অনুমতি নিলেই আপনার জন্য সংযোগটি ব্যবহার করা বৈধ হবে।

আয়াত:

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَوۡفُوۡا بِالۡعُقُوۡدِ ۬ؕ

অর্থ: হে মুমিনগণ! তোমরা অঙ্গীকার পূরণ করো।

সূরা: আল-মায়িদাহ, আয়াত নং: ১

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو عامر العقدي، حدثنا كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الصلح جائز بين المسلمين إلا صلحا حرم حلالا أو أحل حراما والمسلمون على شروطهم إلا شرطا حرم حلالا أو أحل حراما " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .

১৩৫৬. হাসান ইবনে আলী-খাললাল (রাহঃ) ....... আমর ইবনে আউফ আল-যুমানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে সুলহ ও সন্ধি হালালকে হারাম ও হারামকে হালালে পরিণত করে তা ছাড়া মানুষের মাঝে সন্ধি স্থাপন জায়েয। যে শর্ত হালালকে হারাম বা হারামকে হালালে পরিণত করে সে শর্ত ছাড়া মুসলিমগণ তাদের শর্তের ওপরই কায়েম থাকবে। —ইবনে মাজাহ ২৩৫৩

ইমাম আবু ঈসা (রাহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।

জামে' তিরমিযী, হাদীস নং: ১৩৫২, আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫২

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহারে দুনিয়া ও আখিরাতে যে ভয়ানক পরিণতি

মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহারে দুনিয়া ও আখিরাতে যে ভয়ানক পরিণতি

ওয়াই-ফাই স্পিড স্লো? রাউটার বদলানোর আগে জেনে নিন সহজ সমাধান!

ওয়াই-ফাই স্পিড স্লো? রাউটার বদলানোর আগে জেনে নিন সহজ সমাধান!

কম লাভ হবে—এমন মিথ্যা বলে পণ্য বিক্রি কি জায়েজ?

কম লাভ হবে—এমন মিথ্যা বলে পণ্য বিক্রি কি জায়েজ?

জুলুমের বিচার পেতে রোজার মানত করা যাবে?

জুলুমের বিচার পেতে রোজার মানত করা যাবে?

কাউকে ছেঁড়া টাকা ধরিয়ে দেওয়া কি জায়েজ?

কাউকে ছেঁড়া টাকা ধরিয়ে দেওয়া কি জায়েজ?

অফিস থেকে দেওয়া যাতায়াত ভাতার বেঁচে যাওয়া টাকা গ্রহণ কি হালাল?

অফিস থেকে দেওয়া যাতায়াত ভাতার বেঁচে যাওয়া টাকা গ্রহণ কি হালাল?

আরও পড়ুন

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

যে ৫ ক্ষেত্রে মানুষের দোষ গোপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ল্যাবরেটরিতে তৈরি কৃত্রিম গোশত খাওয়া কি হালাল?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার না করলে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার হুকুম কী?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

শর্ত কথা বলার কিন্তু মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দিলে কি তালাক হবে?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম