Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

জাপানে ভারি তুষারপাতে ৩০ জনের প্রাণহানি

Advertisement

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:০৭ পিএম

জাপানে ভারি তুষারপাতে ৩০ জনের প্রাণহানি

Advertisement

জাপানে তীব্র তুষারঝড়ে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। মাত্রাতিরিক্ত তুষার ঝড়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের মধ্যে ৯১ বছর বয়সি এক বৃদ্ধাও রয়েছেন। তিনি তার বাড়ির বাইরে তিন মিটার উঁচু তুষারপাতের নিচে পড়ে ছিলেন।

কেন্দ্রীয় সরকার আওমোরির বাসিন্দাদের সাহায্য করার জন্য সেনা মোতায়েন করেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৪.৫ মিটার (১৫ ফুট) পর্যন্ত তুষারপাত রয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ের একটি বিশেষ বৈঠক করে মৃত্যু ও দুর্ঘটনা রোধে মন্ত্রীদের যথাসাধ্য চেষ্টা করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জাপান সাগর উপকূলে তীব্র ঠান্ডা বাতাসের প্রভাবে ভারি তুষারপাত হয়েছে, কিছু এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি তুষারপাত দেখা গেছে। অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মতে, ২০ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারি তুষারপাতের ফলে ৩০ জন মারা গেছেন।

স্থানীয় একজন পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৯১ বছর বয়সী কিনা জিনও ছিলেন, যার মৃতদেহ আওমোরির আজিগাসাওয়ায় তার বাড়িতে তুষারপাতের নিচে পাওয়া গেছে। পুলিশ ধারণা করছে, তার ছাদ থেকে তুষার তার ওপর গিয়ে পড়ে। কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের পাশে একটি অ্যালুমিনিয়াম বেলচা পাওয়া গেছে।

কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে থাকা তুষার গলে পড়ে। এটি তুষারের আয়তন এবং তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। ছাদের নিচে একটি বিপজ্জনক জায়গা।’

আওমোরির গভর্নর সোইচিরো মিয়াশিতা সোমবার বলেছেন, তিনি জাপানের সামরিক বাহিনীকে দুর্যোগ ত্রাণ প্রদানের জন্য বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি সেনাদের এই অঞ্চলের বয়স্কদের সাহায্য করতে বলেছেন, যারা একা থাকেন এবং তুষার পরিষ্কারের জন্য সাহায্যের প্রয়োজন। 

গভর্নর আরো বলেন, ‘আঞ্চলিক রাজধানী আওমোরি শহরের মাটিতে ১.৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু তুষারপাতের দেয়াল তৈরি রয়েছে। রাস্তা এবং ঘরবাড়ি থেকে তুষার পরিষ্কার করার সময় স্থানীয় কর্মীরা চাপা পড়েছিলেন।  

সূত্র: এএফপি, জাপান নিউজ 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম