Logo
Logo
×
   

আন্তর্জাতিক

বিধানসভায় কেন ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়?

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ এএম

বিধানসভায় কেন ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়?

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা ডিএমকে-র প্রভাবশালী নেতা এম করুণানিধিকে নাম ধরে ডেকে বিতর্ক তৈরি করায় তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় বিধানসভায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। খবর এনডিটিভির। 

এক মন্ত্রী প্রথাগত সম্মানসূচক পদবি ছাড়া সরাসরি তার নাম উল্লেখ করায় বিরোধী শিবিরের তুমুল হইচই ও বিক্ষোভের মুখে পড়ে ক্ষমতাসীন দল। 

ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় স্বাস্থ্য ও রাজস্ব বিভাগের অনুদান দাবির ওপর এক আলোচনার সময়। তামিলনাড়ুর বনমন্ত্রী আর ভি রঞ্জিত কুমার অতীতে নির্বাচনে ‘ভোটের বিনিময়ে টাকা বিতরণ’ ব্যবস্থার সমালোচনা করছিলেন। বক্তব্য রাখার সময় তিনি আলোচিত ‘তিরুমঙ্গলম ফর্মুলা’-র প্রসঙ্গ টানেন এবং দাবি করেন, তার কাঞ্চীপুরম কেন্দ্রে আগের নির্বাচনগুলোতে ভোটপ্রতি ১,৫০০ রুপি পর্যন্ত বিলি করা হয়েছিল। এরপর বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে আগের সরকারগুলোর পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার জন্য কোনো অর্থ বিতরণ করেনি।

তবে নির্বাচনের অতীত কৌশলগুলোর তালিকা দেওয়ার সময় বনমন্ত্রী প্রথা ভেঙে প্রয়াত ডিএমকে প্রধান এম করুণানিধিকে স্রেফ ‘করুণানিধি’ বলে সম্বোধন করেন। তামিলনাড়ু বিধানসভার দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী সম্মানিত ও প্রবীণ নেতাদের নামের আগে ‘কলাইঞার’ (পণ্ডিত) বা ‘সাবেক মুখ্যমন্ত্রী’-র মতো সম্মানসূচক খেতাব বা প্রোটোকল পদবি ব্যবহার করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 

সম্মানসূচক সম্মান না দিয়ে সরাসরি নাম ব্যবহার করায় বিরোধী ডিএমকে সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সাবেক মন্ত্রী কে কে এস এস আর রামচন্দ্রনের নেতৃত্বে বিরোধী দলের বিধায়করা এটিকে সংসদীয় সৌজন্য ও শিষ্টাচারের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে তৎক্ষণাৎ স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ শুরু করেন। 

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ও অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হলে মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় নিজে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বনমন্ত্রীকে মাঝপথেই থামিয়ে দেন এবং প্রয়াত বর্ষীয়ান নেতাকে এভাবে সম্বোধন করা অনভিপ্রেত ও অনুচিত ছিল বলে স্বীকার করে নেন।

ডিএমকে শিবিরের ক্ষোভ প্রশমিত করতে বিজয় বিধানসভায় বলেন, ‘আমি তার (বনমন্ত্রীর) পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি।’ মুখ্যমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক এই হস্তক্ষেপে বিতর্ক থামে এবং বিধানসভার অধিবেশন পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসে। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .