Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানের নোমান মাহমুদ

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৫ এএম

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানের নোমান মাহমুদ

Advertisement

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নোমান মাহমুদ জোটটির সাধারণ সচিবালয় বা ‘জেনারেল সেক্রেটারিয়েট’-এর নেতৃত্ব দেবেন। জোটের এই সাধারণ সচিবালয় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিটি বর্তমানে মক্কা প্রতিরক্ষা জোট নামে পরিচিত। জোটটির মহাসচিব পাকিস্তানের নাগরিক হবেন বলে গত মাসে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এমন তথ্য নিশ্চিত করেছিলেন। এর পরপরই পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদের নিয়োগের বিষয়টি সামনে আসে।

গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে চুক্তিটির নাম পরিবর্তন করে ‘মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ রাখা হয়। তিন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির আওতায় একটি ‘কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটির উদ্বোধনী বৈঠক গত মাসে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হয়। উচ্চপর্যায়ের ওই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এবং সেনাপ্রধান ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির।

বৈঠকে সৌদি আরবের পক্ষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের ও তুর্কি জেনারেল স্টাফের প্রধান সেলচুক বায়রাকতারোগলু উপস্থিত ছিলেন।

তিন দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই জোট কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে গঠিত হয়নি। বরং পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার এবং তিন মিত্র দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি সাধারণ অঙ্গীকার হিসেবে কাজ করবে।

এদিকে জোটটির পরিধি ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, তুরস্ক আশা করছে ‘পরবর্তী ধাপে’ মিশর এই চুক্তিতে যোগ দেবে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন, মিশরের যোগ দেয়ার ক্ষেত্রে কেবল ‘কিছু কারিগরি বিষয়’ বাধা হয়ে রয়েছে।

বাংলাদেশও এই জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে আগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ এবং পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সমন্বয়ে গঠিত কোনো অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা কাঠামোয় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম