Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

কঙ্গোয় হ্রদে নৌকা ডুবে নিহত ৪১

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১ এএম

কঙ্গোয় হ্রদে নৌকা ডুবে নিহত ৪১

এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয় কোনো কঙ্গোলিজ নৌযান দুর্ঘটনার ঘটনা।

Advertisement

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) টাঙ্গানিকা হ্রদে নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

ডিআরসির টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহণমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোইয়ি বলেন, নৌকাটিতে থাকা বাকি যাত্রীদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

স্থানীয় মাপেরা গ্রামের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও পণ্য ছিল বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে ডিআরসির কালেমি শহরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল নৌকাটি। পথে এটি ডুবে যায়।

উদ্ধার হওয়া যাত্রী অ্যানি মোয়োনি জাতিসংঘ-সমর্থিত কঙ্গোর সম্প্রচারমাধ্যম রেডিও ওকাপিকে বলেন, রাত ১টার দিকে যাত্রীদের ঘুম থেকে জাগিয়ে দেওয়া হয়। তখন তারা দেখতে পান, নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে গেছে।

নৌকাটি কেন ডুবে গেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিআরসিতে নৌকাডুবির ঘটনায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির নৌযানগুলো প্রায়ই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে এবং অনেক নৌযানে পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট থাকে না।

ডিআরসির অনেক মানুষের জন্য নৌপথে যাতায়াতই সবচেয়ে সস্তা ও সহজলভ্য যোগাযোগব্যবস্থা। বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর একটি ডিআরসিতে ১০ কোটির বেশি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই।

কিগোমা-কালেমি নৌপথে এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয় কোনো কঙ্গোলিজ নৌযান দুর্ঘটনার ঘটনা।

রেডিও ওকাপির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ আগস্ট কিগোমা বন্দরে জ্বালানি তোলার সময় কঙ্গোলিজ নৌযান এমভি প্যাসিফিকেতে আগুন ধরে যায় এবং পরে বিস্ফোরণ ঘটে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাতে রেডিও ওকাপি জানায়, ওই ঘটনায় নৌযানটির ছয়জন কর্মী নিহত হন এবং আরও একজন নিখোঁজ হন। 

এর আগে গত জুলাইয়ে মধ্য ডিআরসিতে রাষ্ট্রীয় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জন নিহত হন।

সূত্র: আলজাজিরা

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম