Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

দিল্লিতে মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক

Advertisement

Icon

কলকাতা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

দিল্লিতে মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক

নয়াদিল্লিতে যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। এতে হাজারো মানুষকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাংবাদিক, সংবাদকর্মী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ভিডিও তৈরি করেন এমন কয়েকজনকেও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরুর আগেই বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সন্দেহের ভিত্তিতে অনেককে আটক করে বাসে তোলা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে অস্থায়ী আটককেন্দ্রে রাখা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ বিক্ষোভে অংশ নিতে এসেছিলেন, কেউ সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এমনকি এক ব্যক্তি আত্মীয়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় আটক হওয়ার অভিযোগও করেছেন।

দিল্লির বাওয়ানা এলাকার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামের একটি অংশ আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য ব্যবহার করা হয় বলে জানা গেছে। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে ১৭ জন পুরুষকে স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের কয়েকজনের দাবি, বিক্ষোভের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না।   

এ ছাড়া যন্তর মন্তরের কাছাকাছি ভিডিও ধারণের সময় দুজন কনটেন্ট নির্মাতাকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, আরও কয়েকজনকে শালিমার বাগ এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই বিদ্যালয়ের একটি অংশও অস্থায়ী আটককেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

সাংবাদিকদের আটকের অভিযোগ

বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের অভিযানে সংবাদকর্মীদের আটক করার অভিযোগও সামনে এসেছে। নিউজলন্ড্রি ও স্ক্রলের কয়েকজন সাংবাদিকের দাবি, তারা নয়াদিল্লি রেলস্টেশনে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তাঁদের বাসে তুলে রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

আটক অবস্থায় তাদের মুঠোফোন নিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন এক সাংবাদিক। পরে দিল্লি পুলিশ সূত্র জানায়, আটক সাংবাদিকদের দুপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশি অভিযান নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের

যন্তর মন্তরকেন্দ্রিক এই ধরপাকড় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী শিবির। কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, পুরো পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে সরকার ভয় পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অতীতের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় প্রধানমন্ত্রী বলতেন, ভয় ভালো। এখন বিরোধীরাও বলছেন, এই ভয় ভালো।

বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল এবং সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা, তাদের পরিচয় এবং আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ্যে না আসায় পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

‘পতনের দ্বারপ্রান্তে নরেন্দ্র মোদি’

‘পতনের দ্বারপ্রান্তে নরেন্দ্র মোদি’

মুম্বাইয়ে অভিনেতা ইমরান খান আটক

মুম্বাইয়ে অভিনেতা ইমরান খান আটক

আমি আটক হলেও আন্দোলন থমকে নেই, বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা

আমি আটক হলেও আন্দোলন থমকে নেই, বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা

দায়িত্ব নিয়েই কড়া যে বার্তা দিলেন ককরোচ পার্টির নতুন নেতা

দায়িত্ব নিয়েই কড়া যে বার্তা দিলেন ককরোচ পার্টির নতুন নেতা

কে এই জ্ঞানেশ কুমার, যাকে নিয়ে উত্তাল ভারত

কে এই জ্ঞানেশ কুমার, যাকে নিয়ে উত্তাল ভারত

দিল্লিতে শতাধিক আইনজীবী আটক, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি

দিল্লিতে শতাধিক আইনজীবী আটক, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি

আরও পড়ুন

‘পতনের দ্বারপ্রান্তে নরেন্দ্র মোদি’

‘পতনের দ্বারপ্রান্তে নরেন্দ্র মোদি’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন রাহুলের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ, মোদির সঙ্গে মেট্রোযাত্রা: দুই মেরুর রাজনীতির মাঝে বিজয়

রাহুলের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ, মোদির সঙ্গে মেট্রোযাত্রা: দুই মেরুর রাজনীতির মাঝে বিজয়

মুম্বাইয়ে অভিনেতা ইমরান খান আটক

মুম্বাইয়ে অভিনেতা ইমরান খান আটক

দিল্লিতে মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক

দিল্লিতে মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম