‘যুক্তরাষ্ট্র ককরোচ পার্টিকে অর্থায়ন করছে’, মোদিকে সমর্থন জানিয়ে মার্কিন গায়িকা
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
মার্কিন গায়িকা মেরি মিলবেন।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতাকারী মার্কিন দাতারা দেশটির ব্যাঙ্গাত্বক প্রতিবাদী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অর্থায়ন করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকা মেরি মিলবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ভারতের তরুণ প্রজন্মকে এই শক্তির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে মেরি মিলবেন অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসে যারা নরেন্দ্র মোদির বিরোধী, তারা সিজেপি এবং অভিজিৎ দীপকের মতো ব্যক্তিদের মদদ দিচ্ছে।
তার দাবি, মার্কিন শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো ব্যক্তিকে উগ্রপন্থী করে নিজ দেশে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর একটি বৈশ্বিক প্রবণতা রয়েছে। তবে এই ধরনের প্রচেষ্টা ভারতের অগ্রগতি ও সুশাসনকে আটকাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের তরুণ দেশপ্রেমিকদের উদ্দেশে এই গায়িকা বলেন, মোদির নেতৃত্বে দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ব্যাহতকারী শক্তির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পালটা আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন মেরি মিলবেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাকে ‘ভারতীয় স্বপ্নের দীপ্তিময় আলোকবর্তিকা’ বলে অভিহিত করেছিলেন তিনি।
এ ছাড়া গত আগস্ট মাসে নিউইয়র্ক সিটিতে আরএসএস প্রধান মোহন ভগওয়াতের অনুষ্ঠানবিরোধী প্রতিবাদেরও সমালোচনা করেছিলেন এই মার্কিন গায়িকা।
এদিকে, সিজেপি এবং অভিজিৎ দীপকের অর্থায়ন নিয়ে এর আগেও নানা প্রশ্ন ও আরটিআই বা তথ্য অধিকার অনুসন্ধান হয়েছে। যদিও দীপক তার বোস্টন ইউনিভার্সিটির পড়াশোনার খরচ স্কলারশিপ ও এডুকেশন লোনের মাধ্যমে নির্বাহ করার কথা বলে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, এই বিতর্কের মাঝেই গত মঙ্গলবার দিল্লির যন্তর মন্তরে (যা বর্তমানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ এলাকা) অনুমতি ছাড়া প্রবেশ এবং শান্তিভঙ্গ করার অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আদালত তাদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে তিহাড় জেলে পাঠিয়েছেন।
একই ঘটনায় তাদের আরেক সহযোগী অজিনক্যের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লি নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই মূলত তারা এই আইনি জটিলতায় পড়েন।

