Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভ দমনে যেসব কৌশল নিচ্ছে ভারতের পুলিশ

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

বিক্ষোভ দমনে যেসব কৌশল নিচ্ছে ভারতের পুলিশ

জুলাইয়ের দিল্লির যুব বিক্ষোভে পুলিশ ‘ইক্ষণ’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত নজরদারি ভ্যান মোতায়েন করেছিল।

Advertisement

ভারতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন বিক্ষোভে পুলিশের হস্তক্ষেপ বেড়েছে। এসব ঘটনায় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, গণগ্রেফতার এবং বিক্ষোভকারীদের অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও সামনে এসেছে। বিশেষ করে জুলাই ও অক্টোবরে ‘ককরোচ’ যুব আন্দোলনের (সিজেপি) বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘ গণগ্রেফতারের ঘটনা এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

অক্টোবরের বিক্ষোভে গণগ্রেফতার ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে। এর আগে জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে বলপ্রয়োগের ঘটনা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স পুলিশের নির্দেশিকা ও সাম্প্রতিক বিক্ষোভের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে, দেশটিতে বিক্ষোভ দমনে কী ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কোথায় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে দিল্লি পুলিশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিক্ষোভ বাড়ছে দেশজুড়ে

আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা (এসিএলইডি) অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে ১৮ হাজার ৬২৯টি বিক্ষোভের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ হাজার ৬৯১টি ছিল প্রতিবাদ কর্মসূচি, যার বেশির ভাগই শান্তিপূর্ণ। ৬৮৭টি ঘটনাকে সহিংস বিক্ষোভ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। অন্তত ১ হাজার ২০০টি বিক্ষোভে পুলিশ হস্তক্ষেপ করেছে।

২০১৬ সালে ভারতে বিক্ষোভের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৬৪২। ২০২৪ সালে তা বেড়ে ২২ হাজার ১৩০-এ পৌঁছায়। ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৮ হাজার ৬২৯। চলতি বছরের আগস্টে দেশজুড়ে ২ হাজার ৫০০টির বেশি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাসে ২০০টির বেশি বিক্ষোভে বলপ্রয়োগ করা হয়, যা এক দশকের মধ্যে কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিল্লি সিজেপির বড় কর্মসূচিগুলোর কেন্দ্র হলেও সেখানে মোট বিক্ষোভের সংখ্যা ২০১৬ সালের ৫৪৩ থেকে কমে ২০২৬ সালে ৩৬৪ হয়েছে। বিপরীতে তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে বিক্ষোভের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তেলেঙ্গানায় ২০১৬ সালে ৯৮টি বিক্ষোভের বিপরীতে ২০২৬ সালে এ সংখ্যা ১ হাজার ৩২৪ ছাড়িয়েছে।

বলপ্রয়োগের আগে সতর্কবার্তার বিধান

ভারতের সংবিধানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে তা সব সময় সুরক্ষিত হচ্ছে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অলাভজনক আইন কেন্দ্রের (আইসিএনএল) জন্য মানবাধিকার আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভারের তৈরি একটি প্রতিবেদন। ভারতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা মূলত রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। তবে প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সহায়তার জন্য আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে পারে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যদের নির্ধারিত পোশাক ও দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম পরতে হয়। এতে আতঙ্কের মধ্যে সাধারণ মানুষের হতাহতের ঝুঁকি এবং নিরাপত্তাকর্মীদের আহত হওয়ার আশঙ্কা কমানোর কথা বলা হয়েছে।

বলপ্রয়োগের আগে সাধারণত বোঝানো ও সতর্ক করার নিয়ম রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন হলে ন্যূনতম বলপ্রয়োগ করতে হবে এবং শৃঙ্খলা ফিরে এলে তা বন্ধ করতে হবে। ছত্রভঙ্গ হতে অস্বীকৃতি জানালে আইন অনুযায়ী বিক্ষোভকারীদের আটক করা যেতে পারে। তবে এসব নির্দেশিকা বাস্তবে কতটা মানা হচ্ছে, তা যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।

ব্যারিকেড থেকে লাঠিচার্জ

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের প্রথম পদক্ষেপগুলোর একটি হলো ব্যারিকেড বসানো। নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর থাকলে ব্যারিকেড ভাঙার ঘটনায় পুলিশ নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা নিতে পারে। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের ব্যারিকেডের ওপর উঠে পড়তে কিংবা সেগুলো উলটে দিতে দেখা গেছে।

এরপর বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো লাঠিচার্জ। ঔপনিবেশিক আমল থেকে চলে আসা এই কৌশলে পুলিশ বাঁশ কিংবা পলিকার্বনেটের লাঠি দিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। ভারতের জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে লাঠিচার্জে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে নারী বিক্ষোভকারীদের লাঠি দিয়ে আঘাত করার ঘটনাও নথিভুক্ত করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

আন্তর্জাতিক নির্দেশিকায় হাত ও পায়ের মতো অংশে আঘাত করার কথা বলা হয়েছে। মাথা, ঘাড়, মেরুদণ্ড ও পেটের মতো সংবেদনশীল স্থানে আঘাত কিংবা ঘাড় চেপে ধরলে গুরুতর জখম, হাড় ভাঙা বা শ্বাসরোধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস

জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানও ব্যবহার করে ভারতীয় পুলিশ। এতে কম চাপে পানি ছিটিয়ে বিক্ষোভকারীদের ভিজিয়ে দেওয়া অথবা উচ্চচাপের পানির ধারা দিয়ে তাদের পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়। ভারতে এ কাজে ‘বরুণ’ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়। তবে উচ্চচাপের পানিতে চোখের ক্ষতি ও কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার মতো আঘাত লাগতে পারে। পানির সঙ্গে রাসায়নিক উত্তেজক মেশানো হলে শ্বাসকষ্ট ও ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে।

আরেকটি বহুল ব্যবহৃত কৌশল কাঁদানে গ্যাস। এটি চোখ ও ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে সরাসরি কাঁদানে গ্যাস ছোড়া উচিত নয়। বদ্ধ বা সীমিত জায়গায় এটি ব্যবহার করাও বিপজ্জনক, কারণ সেখানে গ্যাসের ঘনত্ব বেড়ে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন টিয়ার স্মোক ইউনিট এসব গ্যাস ব্যবহারের সরঞ্জাম তৈরি করে।

পেলেট গান ও আগ্নেয়াস্ত্র

ভারতে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বিতর্কিত পদ্ধতিগুলোর একটি পেলেট গান। সাধারণত ১২-গেজ শটগান থেকে ধাতব বা প্লাস্টিকের ছোট ছোট গুলি ছোড়া হয়। ২০১৬ সালে কাশ্মীরে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা সামনে আসার পর এ নিয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটিতে আলোচনা হয়। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলা হলেও পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জাতিসংঘের ২০২০ সালের নির্দেশিকায় ধাতব পেলেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও পেলেট গান নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে।

আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও কঠোর বিধান রয়েছে। জীবন বা সম্পত্তির ওপর আসন্ন গুরুতর বিপদ দেখা দিলেই কেবল শেষ উপায় হিসেবে তা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এর আগে সতর্কবার্তা ও অনুমোদন প্রয়োজন। গুলি চালানোর সময় লক্ষ্য নিচু রাখতে হবে এবং জনতা ছত্রভঙ্গ হওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে গুলি বন্ধ করতে হবে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং ব্যবহৃত গুলির হিসাব রাখাও বাধ্যতামূলক।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নজরদারি ও আটক

জুলাইয়ের দিল্লির যুব বিক্ষোভে পুলিশ ‘ইক্ষণ’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত নজরদারি ভ্যান মোতায়েন করেছিল। সিপি প্লাসের এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধের পূর্ব ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং জনতার আকার পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করা হয়। অক্টোবরে একই ধরনের ভ্যান দেখা না গেলেও ঘটনাস্থলে পুলিশের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহারের কথা জানিয়েছে রয়টার্স।

দিল্লিভিত্তিক ডিজিটাল অধিকার সংগঠন ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশন মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির নির্ভুলতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। কর্মীদের অভিযোগ, এ ধরনের নজরদারির যথাযথ আইনি ভিত্তি নেই এবং তা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে। তবে সরকার বলেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এসব ব্যবস্থা বৈধ ও জনস্বার্থে নেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে চলাচলে বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট বন্ধ এবং আটকও ব্যবহার করা হয়েছে। জুলাইয়ের বিক্ষোভের সময় মধ্য দিল্লিতে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং প্রতিবাদস্থলের কাছের কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। অক্টোবরের বিক্ষোভে আবেদনকারীদের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ছিল। তবে সলিসিটর জেনারেল দাবি করেন, পরিষেবা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলেছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, বিক্ষোভস্থলের বাইরেও কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা নির্বিচারে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সম্মানের আহ্বান জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছে।

অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তদন্তাধীন

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দিল্লিতে বেশির ভাগ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে কাঁদানে গ্যাস ও লাঠি ব্যবহার করা হয়। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তদন্তে পেলেট গান, কাঁদানে গ্যাস, গ্রেনেড, লাঠি ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার সরঞ্জাম ব্যবহারের অভিযোগ উঠে এসেছে। সংস্থাটির মতে, এসব ব্যবহারের কিছু ঘটনা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ভারতের নিজস্ব নির্দেশিকার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তবে দিল্লি পুলিশ পেলেট গান ও বৈদ্যুতিক স্টান গান ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বিক্ষোভের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়েছিলেন। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। অক্টোবরের বিক্ষোভ নিয়ে করা আবেদনগুলো এখনো আদালতে বিচারাধীন।

সূত্র: রয়টার্স

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ক্ষমতায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন রাহুল গান্ধী

বিজেপির অভিযোগ ক্ষমতায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন রাহুল গান্ধী

দিল্লিতে আবারও জড়ো হওয়ার আহ্বান অভিজিৎ দীপকের

দিল্লিতে আবারও জড়ো হওয়ার আহ্বান অভিজিৎ দীপকের

দীর্ঘ জনরোষে দিল্লিতে বিক্ষোভ

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন দীর্ঘ জনরোষে দিল্লিতে বিক্ষোভ

বাড়ির বাইরে ৫০ পুলিশ, ‘গৃহবন্দি’ ধ্রুব রাঠি!

বাড়ির বাইরে ৫০ পুলিশ, ‘গৃহবন্দি’ ধ্রুব রাঠি!

আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি

আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি

অগ্নিগর্ভ দিল্লি, গণগ্রেফতার

অবরুদ্ধ রাজধানীতে বন্ধ ইন্টারনেট ট্রেন বাস অগ্নিগর্ভ দিল্লি, গণগ্রেফতার

আরও পড়ুন

শীর্ষ নেতাদের আটক, ককরোচ পার্টির ‘প্ল্যান বি’ কী?

শীর্ষ নেতাদের আটক, ককরোচ পার্টির ‘প্ল্যান বি’ কী?

‘যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা কোনো শক্তির কাছে নতিস্বীকার করবে না ইরান’

‘যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা কোনো শক্তির কাছে নতিস্বীকার করবে না ইরান’

হুথিদের হামলার নিন্দা জানানোয় জাতিসংঘকে ধন্যবাদ সৌদির

হুথিদের হামলার নিন্দা জানানোয় জাতিসংঘকে ধন্যবাদ সৌদির

বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র চলছে: রাজনাথ সিং

বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র চলছে: রাজনাথ সিং

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম