শেহবাজ-জয়শঙ্করকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, কী কথা হলো?
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ মে ২০২৫, ০৮:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতশাসিত পহেলগাঁওয়ে হামলার পর থেকে ক্রমশ বাড়ছে ভারত-পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা। দুই পরমাণু শক্তিধর দেশকে সংযত থাকার জন্য উৎসাহিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে এ বিষয়ে ফোনে কথা বলেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নেতার সঙ্গে আলাদা ফোনালাপে কাশ্মীরে হামলার ঘটনা নিয়ে সৃষ্টি হওয়া উত্তেজনা কমাতে ভারত ও পাকিস্তানকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রুবিও। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতকে সহযোগিতা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন রবিও। একই সঙ্গে হামলার তদন্তে পাকিস্তানের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
Today, Secretary Marco Rubio spoke with Pakistan's Prime Minister Muhammad Shehbaz Sharif and encouraged Pakistan to work with India to de-escalate tensions, re-establish direct communications, and maintain peace and security in South Asia: US State Department spokesperson Tammy…
— ANI (@ANI) April 30, 2025
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মুখপাত্র বলেন, পহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণহানির জন্য রুবিও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ফোনালাপের সময় তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনা কমাতে এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারতকে পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সাথে ফোনালাপে রুবিও পাকিস্তানকে ২২ এপ্রিল কাশ্মীরে হামলার নিন্দা জানাতে এবং তদন্তে সহযোগিতা করতে বলেন। ব্রুস বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই অযৌক্তিক হামলার তদন্তে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
পহেলগাঁওয়ে হামলার ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার পর পাকিস্তান এবং ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি হয়ে চলেছে ক্রমশ। দুই দেশকেই ‘দায়িত্বশীল সমাধান’ খুঁজতে বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না-হয়, তার বন্দোবস্ত করতে বলেছে আমেরিকা।
