Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

গাজার স্কুল হামলায় বেঁচে ফেরা শিশু ওয়ার্দ

আমার মা ও ছয় ভাইবোনকে পুড়তে দেখেছি

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৫, ১২:২৫ এএম

আমার মা ও ছয় ভাইবোনকে পুড়তে দেখেছি

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

রাত গভীর। হঠাৎই শত শত মানুষের আশ্রয় কেন্দ্র স্কুলটি পরিণত হয় জলন্ত মৃত্যুকূপে। সে আগুনের মধ্য দিয়েই কোনো রকমে বেঁচে ফেরে সাত বছরের ছোট্ট মেয়ে ওয়ার্দ শেখ খলিল। আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মেয়েটির ক্লাস রুম থেকে বের হওয়ার সেই করুন দৃশ্যটি সোমবার ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

‘মিসাইলটা আমাদের ওপরই পড়ল। স্কুলটা আগুনে জ্বলে উঠল। আর চোখের সামনে আমি আমার মা ও ভাইবোনকে পুড়তে দেখেছি’-মঙ্গলবার হাসপাতালের বিছানায় বসে চাচা ইয়াদ মুহাম্মদ আল শিক খলিলকে এমন বিভীষিকাময় পরিস্থিতির কথা জানায় ওয়ার্দ। আলজাজিরা, সিবিসি।

রোববার মধ্যরাতে আশ্রয়স্থল হিসাবে ব্যবহƒত ফাহমি আল-জারজাওয়ি স্কুলে একের পর এক বোমা নিক্ষেপ করে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। আগুন ধরে যায় ক্লাসরুমগুলোতে। মুহূর্তের মধ্যে মৃত্যু ঘটে অন্তত ৩৬ জনের। যাদের মধ্যে ১৮ জন শিশু ও ৬ জন নারী।

সিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলে হামলায় ওয়ার্দের মা ও পাঁচ (আল–জাজিরা ছয় বলেছে) ভাইবোন নিহত হয়েছেন। ভাইবোনদের বয়স ২ থেকে ১৮ বছর। তারা সবাই হামলার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন।

সিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্দের বাবা ও এক ভাই গুরুত্বর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আগুনের ভেতর থেকে ওয়ার্দকে হেঁটে বেরিয়ে আসতে দেখে উদ্ধারকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন বলে জানিয়েছে সিবিসি নিউজ।

ওয়ারদের চাচা ইয়াদ বলেছেন, ‘আমি রাতের বেলায় খবর পেলাম আমার ভাইয়ের পরিবার যে স্কুলে ছিল সেটি বোমায় উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি ছুটে যেতে চাইলেও পারিনি। কারণ চারপাশে তখনো গোলাবর্ষণ চলছিল। অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।’

ভোরে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে যা দেখেন, তা ছিল এক বিভীষিকাময় দৃশ্য-ধোঁয়ায় ভরা বাতাস, পোড়া রক্তের গন্ধ, চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দেহের খন্ডাংশ। ইয়াদ বলেছেন, আমরা প্রথমে লাশ খুঁজছিলাম। পরে কেবল দেহের অংশ খুঁজতে থাকি। হাত, পা, আঙুল, পোড়া কাপড় দেখে লাশ শনাক্ত করার চেষ্টা চলছিল সেখানে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। তাদের হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে স্কুল ও হাসপাতালগুলো। এর আগে গত বছরের আগস্টে গাজা নগরীর আল-তাবিন স্কুলে বড় হামলা চালিয়েছিল বর্বর সেনারা।

Advertisement

গাজা ইসরাইল ফিলিস্তিন

Advertisement

আরও পড়ুন

প্যারিস শিগগিরই একটি মুসলিম নগরীতে পরিণত হবে: ট্রাম্প

প্যারিস শিগগিরই একটি মুসলিম নগরীতে পরিণত হবে: ট্রাম্প

ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫৩ সেনা নিহত

ইয়েমেনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫৩ সেনা নিহত

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার উপহার দেওয়া হবে’

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার উপহার দেওয়া হবে’

২০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইরানে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইরানে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম