ঈদে সেলামি দেওয়া কিংবা নেওয়া—ইসলাম কি বলে?
Advertisement
ইসলাম ও জীবন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
ঈদ সেলামি। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রোজার ত্যাগ হৃদয়কে রঙিন করে তোলে। তাই রোজা আমাদের আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। খুশির বার্তা নিয়ে আসে ঈদ। আর ঈদের আনন্দ-উৎসব কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে ঈদের নামাজের পর একে ওপরের সঙ্গে কোলাকুলি। এই কোলাকোলির মধ্য দিয়ে যে বন্ধন, যে ছোট ও বড়দের মধ্যে সম্মান আদান-প্রদান হয় তা ঈদ সেলামি মধ্য দিয়ে।
ঈদের দিন সকালে সেলামি দেওয়া কিংবা নেওয়ার রেওয়াজ একে ওপরের প্রতি একটি সামাজিক বন্ধন সৃষ্টি করে। আর সামাজিক রীতি, যা ইসলামে নিষিদ্ধ নয়। বরং পারস্পরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ বৃদ্ধির মাধ্যম। সেলামি দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো হাদিসভিত্তিক নির্দিষ্ট নিয়ম কিংবা বাধ্যতামূলক বাধ্যবাধকতা নেই। তবে ছোটদের প্রতি স্নেহ এবং বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই এর মূল উদ্দেশ্য, যা ইসলাম সমর্থন করে। আর ঈদের সেলামি একটি আনন্দের উপহার, এটি আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ইসলামের শালীনতা ও ভালোবাসা বজায় রাখা উচিত।
সেলামি ও ঈদ শুভেচ্ছা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—সেলামি কি জায়েজ? হ্যাঁ জায়েজ। ঈদের সেলামি দেওয়া জায়েজ। এটি একটি সুন্দর সামাজিক রীতি, যা বড়রা ছোটদের উপহার হিসেবে দিয়ে থাকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে।
তবে সেলামির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো— ঈদের দিন সকালে বড়দের সালাম করা এবং সাহাবিদের সুন্নাহ অনুযায়ী একে অপরকে দোয়া করা— তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। এর অর্থ হচ্ছে— আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন।
তবে সেলামি পাওয়ার জন্য ছোটরা বড়দের পা ছুঁয়ে সালাম করে, যা ইসলামি সংস্কৃতির পরিপন্থি। পা ছুঁয়ে সালাম না করে সাধারণত সালাম দেওয়া এবং দোয়া বিনিময় করা উচিত।
ঈদের দিনের সুন্নাহ
১। সকালে গোসল করা।
২। ভালো পোশাক পরিধান করা।
৩। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে মিষ্টিজাতীয় কিছু (যেমন খেজুর) খাওয়া।
৪। নামাজের পর শুভেচ্ছা বিনিময় করা।
