কুরবানির গোশত বণ্টনের সঠিক নিয়ম
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আগামীকাল ঈদুল আজহা। এদিন ঈদের নামাজ শেষে আল্লার সন্তুষ্টির জন্য সামর্থবান মুসলমানরা নিজের উপার্জিত হালাল টাকায় কেনা পশু জবেহ করার মাধ্যমে ওয়াজিব ইবাদতটি পালন করবেন। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
প্রত্যেক সামর্থ্যবান পুরুষ-নারীর ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। আল্লাহ ও তার রাসুলের শর্তহীন আনুগত্য, ত্যাগ ও বিসর্জনের শিক্ষাও আছে কুরবানিতে। নবীজি (সা.)-কে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আপনি আপনার রবের জন্য নামাজ আদায় করুন এবং কুরবানি দিন।’ (সুরা কাউসার: ২)
আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কুরবানি করা পশুর গোশত ভাগ করার উত্তম নিয়ম রয়েছে। এমনিতে কুরবানির পশুর গোশত কুরবানিদাতার ইচ্ছে হলে, নিজেই পুরোটা খেতে পারবেন। তবে কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা এটা নয়। কুরবানি মানেই ত্যাগ। সমাজের অসহায় মানুষ যেন বছরে একদিন হলেও গোশত-ভাত খেতে পারে—সে বিষয়ে খেয়াল রাখা কুরবানিদাতাদের কর্তব্য।
কুরবানির গোশত কীভাবে ভাগ করতে হবে—তার ইঙ্গিত পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর (কুরবানির) উটগুলো আমি করেছি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। তাতে তোমাদের জন্য কল্যাণ আছে, কাজেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো অবস্থায় এগুলোর ওপর তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। যখন তা পার্শ্বভরে পড়ে যায়, তখন তা থেকে তোমরা আহার করো এবং আহার করাও—যে কিছু চায় না তাকে এবং যে চায় তাকেও। এভাবে আমি এগুলো তোমাদের অধীন করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’ (সুরা হজ: ৩৬)
১. কুরবানি দাতা নিজেদের জন্য এক ভাগ রাখবে। আহার করবে।
২. আত্মীয়স্বজনদের এক ভাগ দেবে।
৩. যারা অভাবী-গরিব-ভিক্ষুক তাদের এক ভাগ দেবে।
কুরবানির পশুর গোশত উল্লিখিত তিন ভাগে ভাগ করা মোস্তাহাব এবং উত্তম। নবী করিম (সা.)-ও এমনটি করতেন।

