কুরবানি পশুর পা ভেঙে গেলে করণীয়
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কাল বাদে পরশু ঈদুল আজহা। এই ঈদে হালাল পশু কুরবানি করা ওয়াজিব। সামর্থবান মুসলিমরা পশু কিনতে ভিড় করছেন হরুহাটে। কুরবানির পশুর বিধান হলো-পশু ল্যাংড়া হলে জবাই করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে অক্ষম হলে সেই পশু দিয়ে কুরবানি শুদ্ধ হবে না।
হাট থেকে পশু কিনে বাড়ি আনার সময় ধ্বস্তাধ্বস্তি বা অন্য কোনো কারণে কখনো যদি পশুর পা ভেঙে যায়—সেই পশু দিয়ে কি কোরবানি শুদ্ধ হবে?
ইসলামি গবেষকদের মতে, হাট থেকে আনার সময় কুরবানির পশুর পা ভেঙে যাওয়ার পর ওই পশু যদি এক পা খুড়ায় এবং ভাঙা পা মাটিতে লাগিয়ে হাটে—তাহলে উক্ত পশু দিয়ে কুরবানি করা শুদ্ধ হবে। যদিও সেই পায়ে পূর্ণ ভর না দেয়।
আর যদি ওই পশু তিন পায়ের ওপর ভর দিয়ে চলে এবং আক্রান্ত পা মাটিতে ফেলতে না পারে, বরং মাটি থেকে উঠিয়ে চলে—তবে সে পশু দিয়ে কুরবানি করা শুদ্ধ হবে না।
তবে কুরবানির জন্য পশু মাটিতে শোয়ানোর সময় ধস্তাধস্তির কারণে যদি পা ভেঙে যায়, তাহলে সে পশু দিয়ে কোরবানি করা শুদ্ধ হবে।
সতর্কতার বিষয় হলো, পশুকে কখনোই অহেতুক কষ্ট দেওয়া যাবে না। যথেষ্ট পরিমাণ মানুষ মিলে সতর্কতার সঙ্গে পশু মাটিতে শোয়াতে হবে। এবং ধারালো ছুরি দিয়ে দ্রুত জবাই করতে হবে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ সব জিনিস উত্তম পদ্ধতিতে করার বিধান দিয়েছেন। সুতরাং যখন তুমি জবাই করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে জবাই করবে। জবাইয়ের বস্তু ভালোভাবে ধার দিয়ে নেবে আর পশুটিকে স্বাভাবিকভাবে প্রাণ বের হওয়ার সুযোগ দেবে। (সহিহ্ মুসলিম: ১৯৫৫)।
