Logo
Logo
×

Advertisement

জমিজমা সম্পত্তি ও আইন

খাস জমি লিজ নেওয়ার ফি, সময় ও আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম

খাস জমি লিজ নেওয়ার ফি, সময় ও আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

সরকারি খাস জমি লিজ নিয়ে অনেকেই বসতবাড়ি নির্মাণ করেন। অনেকে আবার কৃষিকাজ বা ছোট উদ্যোক্তা হিসেবে স্বপ্ন পূরণ করতে চান। তবে খাস জমি লিজ নেওয়ার সঠিক নিয়ম না জানায় অনেকেই বিপদে পড়েন। সঠিক নিয়ম মেনে লিজ নিলে বিপদ থেকে উত্তরণ সম্ভব।

সরকারি খাস জমি লিজ নেওয়ার পদ্ধতি, ফি, সময় ও আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে।

খাস জমি কারা পেতে পারেন

খাস জমি সরকার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য লিজ দেয়। যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই জমি লিজ নিতে পারবে।

যেখানে আবেদন করবেন

সরকারি খাস জমির লিজ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই করে থাকেন এসি ল্যান্ড। যাচাইয়ে যোগ্য বিবেচিত হলে লিজের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরে অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদনের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জমা দিতে হবে। যেমন পূরণকৃত লিজ আবেদন ফরম, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদের অনুলিপি, ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে দেওয়া নাগরিক ও চারিত্রিক সনদ, সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজ ছবি, যে জমি লিজ নিতে চান তার বিবরণ (স্থান, পরিমাণ, ব্যবহার ইত্যাদি)।


লিজ ফি

সরকারি খাস জমির লিজ ফি নির্ধারিত হয় জমির প্রকৃতি, অবস্থান ও ব্যবহার অনুযায়ী। উদাহরণস্বরূপ, কৃষি জমির ফি কম, আর বাণিজ্যিক বা আবাসিক ব্যবহারের জন্য কিছুটা বেশি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই ফি তুলনামূলকভাবে কম এবং নাগরিকদের নাগালের মধ্যেই থাকে।

কত সময় লাগে

যদি আবেদনপত্র ও কাগজপত্র সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ হয়, তাহলে সাধারণত ২১ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিজ অনুমোদন ও চুক্তিপত্র সম্পাদনের কাজ শেষ হয়। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে তদন্ত বা অনুমোদনের কারণে সময় কিছুটা বাড়তেও পারে।

লিজের মেয়াদ ও নবায়ন

সরকারি খাস জমির লিজ সাধারণত ৩০ বছর থেকে ৯৯ বছর পর্যন্ত মেয়াদের হয়ে থাকে। মেয়াদ শেষে লিজ নবায়নের সুযোগও থাকে। শর্ত অনুযায়ী নবায়নের আবেদন করা যায় এবং নতুন মেয়াদে চুক্তি হয়।

যেভাবে নিজে আবেদন করবেন

ভূমি মন্ত্রণালয় বারবার নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছে, দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি আবেদন করুন। কারণ, পুরো প্রক্রিয়াটি এখন অনেকটাই ডিজিটাল ও স্বচ্ছ। দালালদের ফাঁদে পড়ে বাড়তি খরচ ও হয়রানির শিকার না হয়ে নিজেই অফিসে গিয়ে আবেদন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সরকারি খাস জমি লিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এখন আর কঠিন নয়। শুধু প্রয়োজন কিছু সঠিক তথ্য ও সচেতনতা। নিজ উদ্যোগে সঠিক কাগজপত্র ও নিয়ম মেনে আবেদন করলে আপনি সহজেই লিজ পেতে পারেন।

আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: www.land.gov.bd অথবা কল করুন ভূমি হেল্পলাইন ১৬১২২ নম্বরে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

জমির পর্চা কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ? ঘরে বসেই অনলাইনে বের করবেন যেভাবে

জমির পর্চা কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ? ঘরে বসেই অনলাইনে বের করবেন যেভাবে

বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি, সহজেই জানুন মোবাইলে

বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি, সহজেই জানুন মোবাইলে

এক ক্লিকেই জমির পর্চা: ঘরে বসে যেভাবে খুঁজবেন ও পাবেন

এক ক্লিকেই জমির পর্চা: ঘরে বসে যেভাবে খুঁজবেন ও পাবেন

পৈতৃক জমি কতটুকু রয়েছে, বের করবেন যেভাবে

পৈতৃক জমি কতটুকু রয়েছে, বের করবেন যেভাবে

খতিয়ানে নাম আছে, দলিল নেই? যেভাবে প্রমাণ করবেন জমির মালিকানা

খতিয়ানে নাম আছে, দলিল নেই? যেভাবে প্রমাণ করবেন জমির মালিকানা

অনলাইনে আট কোটির বেশি খতিয়ান, ঘরে বসেই মিলবে জমির রেকর্ড

অনলাইনে আট কোটির বেশি খতিয়ান, ঘরে বসেই মিলবে জমির রেকর্ড

আরও পড়ুন

খাস জমি লিজ নেওয়ার ফি, সময় ও আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন

খাস জমি লিজ নেওয়ার ফি, সময় ও আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন

বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি, সহজেই জানুন মোবাইলে

বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি, সহজেই জানুন মোবাইলে

এক ক্লিকেই জমির পর্চা: ঘরে বসে যেভাবে খুঁজবেন ও পাবেন

এক ক্লিকেই জমির পর্চা: ঘরে বসে যেভাবে খুঁজবেন ও পাবেন

খতিয়ানে নাম আছে, দলিল নেই? যেভাবে প্রমাণ করবেন জমির মালিকানা

খতিয়ানে নাম আছে, দলিল নেই? যেভাবে প্রমাণ করবেন জমির মালিকানা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম