শীত আসার আগে সুস্থ থাকতে ৭ নিয়ম মানুন
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শীতকাল অনেকের কাছে আনন্দের ঋতু হলেও এ সময় ঠান্ডা আবহাওয়া, দিনের আলো কম থাকা এবং বছরের শেষের নানা চাপ স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ত্বক ও শ্বাসতন্ত্রের শুষ্কতা, ঘুমের অনিয়ম এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তাও বাড়তে পারে। তাই শীতজুড়ে সুস্থ থাকতে প্রয়োজন নিজের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস।
শীত আসার পূর্বেই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের রুটিনে যুক্ত করা যায় এমন সাতটি অভ্যাস জেনে নেওয়া যাক।
১. গরম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া
শীতে স্যুপ, ঝোল, রান্না করা শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন। আদা, দারুচিনি ও লবঙ্গের মতো মসলা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি উষ্ণতার অনুভূতি দিতে পারে। তবে সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা জরুরি। ফল ও সবজিও খাদ্যতালিকায় রাখুন।
২. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শীতকালে তৃষ্ণা কম লাগলেও শরীরের পানির প্রয়োজন থাকে। তাই নিয়মিত পানি পান করুন। কুসুম গরম পানি, লেবুপানি কিংবা চিনি ছাড়া ভেষজ চা পান করতে পারেন। এতে শরীরে পানির ঘাটতি এড়ানো সহজ হয়।
৩. পা গরম ও সুরক্ষিত রাখুন
ঠান্ডা থেকে পা রক্ষা করতে আরামদায়ক মোজা ও উপযুক্ত জুতা ব্যবহার করুন। চাইলে কুসুম গরম পানিতে কিছুক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। তবে পানি যেন অতিরিক্ত গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৪. মনকে শান্ত রাখুন
শীতের সময় কিছুটা ধীরস্থির জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তুলুন। ধ্যান, গভীর শ্বাস নেওয়া কিংবা ডায়েরি লেখার মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করতে পারেন। গত বছরের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণও মানসিক প্রশান্তি দিতে পারে।
৫. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
শরীর সুস্থ রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। অতিরিক্ত কাজের চাপ কমিয়ে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ তৈরি করুন।
৬. দৈনন্দিন রুটিন মেনে চলুন
প্রতিদিন হাঁটা, সময়মতো খাওয়া, ঘুমানো ও শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলুন। নিয়মিত রুটিন জীবনযাপনে শৃঙ্খলা আনে এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। শীতেও সম্ভব হলে নিয়মিত হাঁটুন বা ঘরে হালকা ব্যায়াম করুন।
৭. আকুপাংচার নেওয়ার আগে পরামর্শ করুন
চিকিৎসাপদ্ধতিতে আকুপাংচারকে শরীরের ভারসাম্য রক্ষার একটি পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কেউ কেউ ব্যথা ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে এটি ব্যবহার করেন। তবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো বা রোগ ঠেকানোর কার্যকারিতার পক্ষে প্রমাণ সীমিত। আকুপাংচার নিতে চাইলে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
শীতজুড়ে সুস্থ থাকতে দামি পণ্য বা বিশেষ আয়োজনের প্রয়োজন নেই। পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত পানি, নিয়মিত শরীরচর্চা, ভালো ঘুম ও মানসিক প্রশান্তির মতো অভ্যাসই হতে পারে সুস্থ থাকার কার্যকর ভিত্তি।

-6ad2252d41e8b.jpg)