Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

গবেষণা

জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

Advertisement

উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি অনেক সময় বংশগতভাবে আসে। তবে জিনগত প্রবণতা থাকলেই যে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে, এমন নয়। ভারতের চেন্নাইয়ে পরিচালিত নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জিনগত কারণে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে পারে। বিশেষ করে যাদের শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল (LDL) বেড়ে যাওয়ার জিনগত প্রবণতা রয়েছে, তাদের জন্য প্রতিদিনের খাবারের মান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভারতীয়দের দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় পালিশ করা সাদা ভাত, তেলে ভাজা ময়দার পরোটা, নারকেল তেলে রান্না করা সবজি কিংবা অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। খাদ্যতালিকায় ফল, সবজি ও আঁশসমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ কম হলে এসব খাবার সামগ্রিকভাবে কোলেস্টেরলের স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

চেন্নাইয়ের ১ হাজার ২০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাদ্যাভ্যাস মাঝারি বা উন্নত মানের, তাদের ক্ষেত্রে উচ্চ এলডিএল ও মোট কোলেস্টেরলের সঙ্গে জিনগত ঝুঁকির সম্পর্ক পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল না। অন্যদিকে, যাদের খাদ্যাভ্যাসের মান খারাপ, তাদের মধ্যে জিনগত ঝুঁকির সঙ্গে উচ্চ এলডিএল ও মোট কোলেস্টেরলের সম্পর্ক স্পষ্ট ছিল।

গবেষণাটির অন্যতম লেখক এবং ড. মোহনের ডায়াবেটিস স্পেশালিটিজ সেন্টার ও মাদ্রাজ ডায়াবেটিস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান চিকিৎসক ভি মোহন বলেন, জিন বিপাকজনিত রোগের ঝুঁকিকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে সেই ঝুঁকি কীভাবে প্রকাশ পাবে, তা পরিবর্তন করা সম্ভব। জন্মগতভাবে উচ্চ কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিসের প্রবণতা থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?

‘লো ডায়েট কোয়ালিটি ইনক্রিজেস দ্য জেনেটিক রিস্ক অব হাই ব্লাড কোলেস্টেরল লেভেলস ইন এশিয়ান ইন্ডিয়ান অ্যাডাল্টস [CURES–165]’ শিরোনামের গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে PLOS ONE সাময়িকীতে। চেন্নাই আরবান রুরাল এপিডেমিওলজি স্টাডি (CURES) নামের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা কর্মসূচির তথ্যের ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হয়।

গবেষণায় ২৫ থেকে ৮০ বছর বয়সি ১ হাজার ২০ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৪৫২ জন পুরুষ এবং ৫৬৮ জন নারী। গবেষকেরা তিনটি জিনগত ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষা করে একটি জিনগত ঝুঁকি স্কোর তৈরি করেন।

খাদ্যাভ্যাসের মান নির্ধারণে আটটি খাদ্যগোষ্ঠী বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো ডাল ও শিমজাতীয় খাবার, ফল ও সবজি, দুধজাত পণ্য, সাদা ভাত, ভোজ্য চর্বি ও তেল, অতিরিক্ত চিনি, অতিরিক্ত লবণ এবং মুরগির মাংস ও ডিম।

ফলাফলে দেখা যায়, নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাসের অধিকারীদের মধ্যে জিনগত ঝুঁকির স্কোর বেশি হলে মোট কোলেস্টেরল ও এলডিএলের মাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। তবে মাঝারি ও উন্নত মানের খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল না।

এ ছাড়া জিনগত ঝুঁকির স্কোরের সঙ্গে খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা এবং গত দুই থেকে তিন মাসের গড় রক্তে শর্করার মাত্রা নির্দেশক এইচবিএ১সি (HbA1c)-এর উচ্চ মাত্রার সম্পর্কও পাওয়া গেছে।

চিকিৎসক মোহনের মতে, নির্দিষ্ট কিছু জিনগত বৈশিষ্ট্য থাকলে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে একজন কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন, তার ওপরও এই ঝুঁকির প্রকাশ অনেকাংশে নির্ভর করে। এ জন্য খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে জিনগত পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় থাকার প্রয়োজন নেই।

চেন্নাইয়ের গবেষণা ভারতের অন্য অঞ্চলের মানুষের জন্যও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

গবেষণাটি চেন্নাইয়ে পরিচালিত হলেও এর ফলাফল শুধু তামিল জনগোষ্ঠী বা নির্দিষ্ট কোনো খাদ্যাভ্যাসের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক মোহন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, CURES গবেষণায় চেন্নাইয়ের বিভিন্ন ভাষা ও আঞ্চলিক পটভূমির মানুষের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। শহরটিতে তেলুগুভাষী, মারওয়ারি, জৈন, বাঙালি এবং উত্তর প্রদেশ, বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন।

তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিচালিত ICMR-INDIAB গবেষণার কথাও উল্লেখ করেন। ওই গবেষণাতেও বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্কের অনুরূপ প্রবণতা দেখা গেছে, যদিও অঞ্চলভেদে প্রধান খাদ্যশস্যের ধরন আলাদা।

মোহনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মুম্বাইয়ে কেউ পাউরুটি বা চাপাতি খেলেন, আর চেন্নাইয়ে কেউ সাদা ভাত খেলেন—শুধু এই পার্থক্য দিয়ে শরীরের বিপাকীয় প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করা যায় না। বরং শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ সামগ্রিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে অতিরিক্ত শক্তি চর্বিতে রূপান্তরিত হতে পারে। এর ফলে যকৃতে চর্বি জমা এবং রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়। ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে গেলে এলডিএল ও এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরলের কণার গঠন ও বৈশিষ্ট্যও পরিবর্তিত হতে পারে। এতে ছোট ও ঘন এলডিএল কণা তৈরি হতে পারে, যা ধমনির দেয়ালে চর্বিজাতীয় আস্তরণ জমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি হলেই যে মোট এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়বে, তা নয়। এলডিএলের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও এর কণার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়ে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে শরীরের জন্য সুরক্ষামূলক এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমতে পারে।

অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ওজন বৃদ্ধি এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। তবে সব ধরনের কার্বোহাইড্রেট এলডিএল কোলেস্টেরল একইভাবে বাড়ায় না। খাবারের ধরন, পরিমাণ, সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যক্তির বিপাকীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর এর প্রভাব নির্ভর করে। পরিশোধিত শস্যের পরিবর্তে পূর্ণশস্য, ডাল, সবজি ও অন্যান্য আঁশসমৃদ্ধ খাবার বেছে নেওয়া সামগ্রিকভাবে রক্তের চর্বির স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

কোন খাবারগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন?

চিকিৎসক মোহন পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটকে খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম উদ্বেগজনক দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার মতে, পালিশ করা সাদা চালের পরিবর্তে কম প্রক্রিয়াজাত বাদামি চাল এবং ময়দার পরিবর্তে পূর্ণশস্যের আটা বেছে নেওয়া ভালো বিকল্প হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নারকেল তেল, পাম তেল, ঘি ও মাখনের মতো স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে। এর পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত তেল বেছে নেওয়া যেতে পারে। চিনাবাদামের তেল, সরিষার তেল ও তিলের তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। অন্যদিকে, সূর্যমুখী তেল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের উৎস।

তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন, তাদের গবেষণায় কোনো নির্দিষ্ট তেল, শস্য বা একক খাবারকে কোলেস্টেরল বৃদ্ধির সরাসরি কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। তারা মূল্যায়ন করেছেন সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের মান।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা কেমন হওয়া উচিত?

ড. মোহনের ডায়াবেটিস স্পেশালিটিজ সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গবেষণাটির সহলেখক চিকিৎসক আর অনজানা মনে করেন, একটি নির্দিষ্ট খাবার নয়, বরং সার্বিক খাদ্যাভ্যাসই শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

তার মতে, অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট, মিষ্টি এবং চিনিযুক্ত পানীয় অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়াতে পারে। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করলে শরীরে চর্বি জমতে পারে। পাশাপাশি স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবারও রক্তের চর্বির মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি খাবার থেকে কোনো একটি খাদ্যগোষ্ঠী পুরোপুরি বাদ দেওয়ার পরিবর্তে ভারসাম্য বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে প্রোটিন গ্রহণ এবং চর্বিযুক্ত খাবারের পাশাপাশি আঁশসমৃদ্ধ খাবার রাখলে খাদ্যতালিকার সামগ্রিক মান উন্নত করা সম্ভব।

স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিমাণ নির্ধারণে তার পরামর্শ হলো, প্লেটের অর্ধেক অংশে ফল ও সবজি, বিশেষ করে সবুজ পাতাযুক্ত সবজি রাখতে হবে। বাকি অর্ধেকের এক-চতুর্থাংশে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার এবং অন্য এক-চতুর্থাংশে কম শ্বেতসারযুক্ত কার্বোহাইড্রেট রাখা যেতে পারে। খাবারের সঙ্গে পানি, দুধ বা দইও রাখা যেতে পারে। তবে ব্যক্তির বডি মাস ইনডেক্স (BMI), ডায়াবেটিসের অবস্থা এবং পুষ্টির চাহিদা অনুযায়ী এই অনুপাত পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি আরও পরামর্শ দিয়েছেন, যতটা সম্ভব কম প্রক্রিয়াজাত খাবার বেছে নিতে। ফলের রস বা প্যাকেটজাত ফলের পানীয়ের পরিবর্তে গোটা ফল খাওয়া ভালো। গাজর, শসা ও টমেটোর মতো কাঁচা খাওয়ার উপযোগী সবজি ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে। অন্য সবজিও অতিরিক্ত সিদ্ধ না করে রান্না করা যেতে পারে। ব্যস্ত জীবনে সব সময় এটি মেনে চলা কঠিন হলেও প্যাকেটজাত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানোর চেষ্টা করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে কতটা কমতে পারে এলডিএল?

চিকিৎসক অনজানার মতে, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন কোলেস্টেরলের বিভিন্ন মাত্রা উন্নত করতে পারে। তবে কতটা উন্নতি হবে, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, এলডিএল কোলেস্টেরলের ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। তবু স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া কোলেস্টেরলের সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

শুধু জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে কোলেস্টেরল যথেষ্ট কমানো সম্ভব না হলে ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। যাদের এলডিএল সামান্য বেশি, তাদের ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামে উন্নতি দেখা যেতে পারে। কিন্তু যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক বেশি, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।

কোলেস্টেরল দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্যমাত্রার অনেক ওপরে থাকলে চিকিৎসা নিতে দেরি করা উচিত নয়।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

পেটব্যথা কমাতে ঘরোয়া ১২ উপায়

পেটব্যথা কমাতে ঘরোয়া ১২ উপায়

ঋতু পরিবর্তনে বাড়ে হাঁচি কাশি অ্যালার্জি, নিয়ন্ত্রণের উপায়

ঋতু পরিবর্তনে বাড়ে হাঁচি কাশি অ্যালার্জি, নিয়ন্ত্রণের উপায়

গবেষণা জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

টমেটো সস কিনে ঠকছেন না তো? জেনে নিন আসল-নকল চেনার উপায়

টমেটো সস কিনে ঠকছেন না তো? জেনে নিন আসল-নকল চেনার উপায়

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম