Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

স্বাস্থ্যবীমার বাইরে দেশের ৯৮.৪ শতাংশ মা ও শিশু

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:০৪ পিএম

স্বাস্থ্যবীমার বাইরে দেশের ৯৮.৪ শতাংশ মা ও শিশু

Advertisement

বাংলাদেশে ৯৮ দশমিক ৪ শতাংশ মা ও শিশু কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবীমার আওতায় নেই। সাধারণ বীমা কোম্পানি বা অন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে মা ও শিশুর পৃথক স্বাস্থ্যবীমা কভারেজও দেশে প্রায় অনুপস্থিত। 

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্বজুড়ে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হলেও বাংলাদেশে মা ও শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা অত্যন্ত সীমিত। পরিসংখ্যান বলছে, দেশে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আসার হার ২ শতাংশেরও কম।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সি মায়েদের মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ স্বাস্থ্যবীমার আওতায় রয়েছেন। এ ছাড়া ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সি শিশুদের শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ এবং ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদেরও মাত্র শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ স্বাস্থ্যবীমার আওতায় রয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) তথ্যেও বলা হয়েছে, চিকিৎসা ব্যয়ের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পরিবারগুলোকে সবচেয়ে বেশি চাপ বহন করতে হয়।

বর্তমানে দেশে স্বাস্থ্যসেবার মোট ব্যয়ের প্রায় ৭৯ দশমিক ৩ শতাংশই রোগীদের নিজস্ব পকেট থেকে দিতে হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এ হার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়।

বাংলাদেশে বেসরকারি বাণিজ্যিক বীমা কোম্পানিগুলো সাধারণত গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনতে অনীহা দেখায়। সিজারিয়ান প্রসব, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (এনআইসিইউ) মতো ব্যয়বহুল সেবার ঝুঁকি বেশি হওয়ায় এ ধরনের বীমার প্রিমিয়ামও সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারের নাগালের বাইরে থাকে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও চিকিৎসকেরা বলছেন, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় কমানো, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো এবং বরাদ্দের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

বর্তমানে দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশই ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে পরিবারের একজন সদস্যের গুরুতর অসুস্থতাই পুরো পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলতে পারে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ০১ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। গত এক দশকের মধ্যে এটিই স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ।

এ বরাদ্দে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগ প্রতিরোধ, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি, টিকাদান এবং অসংক্রামক রোগ শনাক্তকরণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশকে আকাশ ব্যবহার করতে দিল না পাকিস্তান

আটকে গেল রূপপুরের ইউরেনিয়াম চালান বাংলাদেশকে আকাশ ব্যবহার করতে দিল না পাকিস্তান

ভারতের হাসপাতালে বাংলাদেশির লাশ ৮ দিন আটকে রাখার অভিযোগ

ভারতের হাসপাতালে বাংলাদেশির লাশ ৮ দিন আটকে রাখার অভিযোগ

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষর

পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষর

জাতিসংঘের প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘের প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক

আরও পড়ুন

কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

এমন সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চাই যেন সমাজের সব মানুষ রক্ষা পায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এমন সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চাই যেন সমাজের সব মানুষ রক্ষা পায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কী আছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের ৫ দফায়

কী আছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের ৫ দফায়

হজে আরও ২০ হাজার কোটা বাড়ানোর দাবি হাবের

হজে আরও ২০ হাজার কোটা বাড়ানোর দাবি হাবের

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম