Logo
Logo
×
   

জাতীয়

জুলাই জাদুঘর নির্মাণের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন সাবেক উপদেষ্টা

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

জুলাই জাদুঘর নির্মাণের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন সাবেক উপদেষ্টা

সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ফাইল ছবি

জুলাই জাদুঘর গড়ে তোলার কাজ ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধের মতো বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

ফারুকী বলেন, মন্ত্রণালয়ের শত শত কাজের মধ্যে মাত্র এক বছরের মধ্যে শূন্য থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘরের কাঠামো দাঁড় করানো ছিল অত্যন্ত কঠিন একটি দায়িত্ব। এই কাজ করতে গিয়ে তার আয়ুসহ অনেক কিছু কেড়ে নিলেও শত শত শহীদ যেখানে জীবন দিয়েছেন, সেখানে এই কষ্ট তেমন কিছুই নয়।

তিনি বলেন, শূন্য থেকে এ পর্যন্ত জাদুঘরটি দাঁড় করানোর পেছনে যাদের দিন-রাতের শ্রম রয়েছে তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের চিন্তা করা হলেও তাদের মাধ্যমে কাজ শেষ করতে তিন বছরের বেশি সময় লাগবে এবং এতে বিপুল অর্থ ব্যয় হবে দেখে নিজেদের সক্ষমতা নিয়েই কাজ শুরু করা হয় বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত যারা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন তারা আবেগ সংবরণ করতে পারেননি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পত্রিকায় এই জাদুঘর নিয়ে ইতিবাচক পর্যালোচনা প্রকাশিত হয়েছে। টিম লিডার ও আর্টিস্টিক ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার সময় কঠোর ভূমিকা পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী আরও বলেন, এই জাদুঘর সব সময়ই একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে থাকবে। জুলাই এবং গত ১৬ বছরের ঘটনাপ্রবাহ একটি বিশাল সমুদ্রের মতো, যা একবারে পুরোপুরি ধারণ করা সম্ভব নয়। তিনি জানান, ৮৩৫ জন গেজেটভুক্ত শহীদের প্রত্যেককে নিয়ে পৃথক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করতেই কয়েক বছর সময় লেগে যাবে এবং ভবিষ্যতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাদান এখানে যুক্ত হবে। কেবল জুলাই আন্দোলন নয়, ভবিষ্যতে এই জাদুঘর বাংলাদেশের রাজনীতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সবশেষে জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .