অভয়ারণ্য তৈরি ও পর্যটনকে উন্নত করা গেলে মানুষ-হাতির সংঘাত বন্ধ হবে: পরিবেশমন্ত্রী
Advertisement
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে মতবিনিময় সভায় পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্য তৈরি ও পর্যটনকে উন্নত করা গেলে মানুষ-হাতির সংঘাত বন্ধ হবে। সেই সঙ্গে বন্ধ হবে অবৈধ বন দখল।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম, গণমাধ্যমকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হাতি চলাচলের ছয়টি করিডোর তৈরির বিষয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি (এমওইউ) অনুযায়ী মিটিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩/৪ মাসের মধ্যে মিটিংটি হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে আমাদের চেয়েও বেশি চিন্তা করেন। এ কারণেই আমরা এখানে এসেছি। শেরপুরের গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বনবিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ঢাকা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম, শেরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য লরেন্স দ্রং প্রমুখ।
এ সময় জেলা প্রশাসন, বনবিভাগ, গণমাধ্যমকর্মী, ইআরটির সদস্যগণ, উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী হাতির আক্রমণে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন এবং ৩২টি ইআরটি টিমের মধ্যে জগলাইটসহ হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করেন।
এর আগে মন্ত্রী গারো পাহাড়ে হাতি চলাচলের করিডোর পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলায় মতবিনিময় সভা করেন এবং হাতির আক্রমণে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন।

