মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথম মানসিক স্বাস্থ্য অলিম্পিয়াড
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
দেশে প্রথমবারের মতো মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ‘বিএপি মেন্টাল হেলথ অলিম্পিয়াড ২০২৬’।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশে প্রথমবারের মতো মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বিএপি মেন্টাল হেলথ অলিম্পিয়াড ২০২৬’। মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের জ্ঞান, সচেতনতা ও আগ্রহ বাড়াতে এ আয়োজন করে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি)।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ১৫০ শিক্ষার্থী অংশ নেন। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ মেডিকেল স্টুডেন্টস সোসাইটি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ কুইজিং অ্যান্ড ডিবেটিং সোসাইটির সহায়তায় এ আয়োজন করা হয়।
অলিম্পিয়াডে শিক্ষার্থীদের তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়। পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাটাগরি-এ’, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাটাগরি-বি’ এবং প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাটাগরি-সি’তে অংশ নেন। প্রতিটি বিভাগে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের পৃথকভাবে পুরস্কৃত করা হয়।
আয়োজকরা জানান, এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য শুধু প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোরোগবিদ্যা বিষয়ে আগ্রহী করা এবং এ বিষয়ে পেশাগত সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়াও এর লক্ষ্য।
অলিম্পিয়াড শেষে অনুষ্ঠিত হয় ‘ক্যারিয়ার ইন সাইকিয়াট্রি’ শীর্ষক আলোচনা। এতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার ডা. আনিকা বসারাত। পরে প্রশ্নোত্তর ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. আরিফুজ্জামান ‘বাংলাদেশে বিএপি ও মানসিক স্বাস্থ্য’ বিষয়ে উপস্থাপনা দেন। এ ছাড়া আয়োজন করা হয় একটি মক ডিবেট।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মেডিকেল এডুকেশন) অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএপির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন।
বক্তারা বলেন, দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে মানসিক স্বাস্থ্যকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূলধারায় গুরুত্ব দিতে হবে। ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের এ বিষয়ে যথাযথ জ্ঞান ও ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা জরুরি। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মনোরোগবিদ্যায় পেশা গড়তেও উৎসাহিত করবে।

-6aca39c5e8b7b.jpg)