১০ম গ্রেড বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে ‘প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ’ আয়োজিত মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আগামী বছরের ১ জানুয়ারির মধ্যে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নসহ তিন দাবি জানিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে ‘প্রাথমিক শিক্ষক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ’ আয়োজিত এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান।
এ সময় সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধি লঙ্ঘনে শাস্তিপ্রাপ্ত ও বেপরোয়া কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়া প্রাথমিকের শিক্ষক নেতা মাহবুবুর রহমান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থসচিবের সভাপতিত্বে এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের উপস্থিতিতে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১০ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিন বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে, প্রায় এক বছর অতিবাহিত হলেও এসব দাবির কোনোটি বাস্তবায়িত হয়নি। এতে শিক্ষকরা হতাশ।
তাদের দেওয়া ৩ দাবি হলো- সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান ১৩তম বেতন গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের অর্থনৈতিক সুবিধা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় শিক্ষকরা উদ্বিগ্ন।
বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষকদের অবদান তুলে ধরে বলা হয়, ভবিষ্যতের আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণ এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আগামী বছরের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার সময়ের মধ্যে ১০ম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

