বয়সের বাধা পেরিয়ে শিক্ষার সুযোগ তৈরি করছে বাউবি: শিক্ষামন্ত্রী
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে (বাউবি) আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বরং যারা বিভিন্ন কারণে নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারেননি, তাদের আবার লেখাপড়ার সুযোগ তৈরি করা এবং দক্ষ করে তোলাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গাজীপুরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেকের শিক্ষাজীবন শুরু হলেও নানা কারণে তা শেষ হয় না। তাদের লেখাপড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দায়িত্ব হলো এসব মানুষের কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাকে সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্য নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে অনিয়মিত শিক্ষার্থীরাও বয়সের বাধা পেরিয়ে শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করার ধারাবাহিকতায় বাউবিকেও আরও যুগোপযোগী করতে হবে।
দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার (টিভিইটি) প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর ফলে চীনের সঙ্গে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এ খাতে আরও অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং (আইটিভেট)-এর শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ৯ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
