ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান
গুলিস্তানে ফুটপাত থেকে অবৈধ শতাধিক দোকান উচ্ছেদ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
গুলিস্তানে ডিএসসিসির অভিযান (সংগৃহীত ছবি)
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে সংস্থাটি। পথচারীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দোকানের মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান চলে। ডিএসসিসির চারজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী এবং পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্যের সহায়তায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এ সময় পে-লোডারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ফুটপাতের অবৈধ অবকাঠামো অপসারণ করা হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম সরাসরি উপস্থিত থেকে অভিযানটি পরিদর্শন করেন এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখা হচ্ছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। হকাররা কেবল নির্ধারিত স্থানেই বসতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো সড়ক সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে। মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।
হকারদের বারবার সতর্ক করার বিষয়টি তুলে ধরে মো. আবদুস সালাম বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করার পাশাপাশি হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। কিন্তু উচ্ছেদের পরও অনেকে আবার একই জায়গায় বসে পড়ছেন। এ অবস্থায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
ডিএসসিসি প্রশাসক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিয়ম অমান্য করে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার এ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সিনিয়র সহকারী সচিব) মো. আমিনুল ইসলাম।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, পথচারীদের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
