Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

সংসদে বিল পাস

প্রশ্নফাঁসে সাজা ১০ বছর কারাদণ্ড

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:২৭ পিএম

প্রশ্নফাঁসে সাজা ১০ বছর কারাদণ্ড

Advertisement

সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) পরিচালিত কোনো পরীক্ষায় ভুয়া পরিচয়ে অংশ নিলে ২ বছরের কারাদণ্ড এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অর্ডিন্যান্স–১৯৭৭ রহিত করে সোমবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অর্ডিন্যান্সের অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন এমনভাবে বহাল থাকবে, যেন এটি নতুন আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এক জন সভাপতি এবং ৬ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে কমিশন গঠিত হবে। কমিশন প্রজাতন্ত্রের জনবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান সাপেক্ষে পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি ও শর্তাবলী নির্ধারণ করতে পারবে।

বিলে প্রশ্নফাঁস সর্ম্পকে বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে পরীক্ষার জন্য প্রণীত কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য, পরীক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে বলে মিথ্যা ধারণাদায়ক কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য অথবা পরীক্ষার জন্য প্রণীত প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে বলে বিবেচিত হওয়ার অভিপ্রায় কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য যেকোনো উপায়ে ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণ করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। এই অপরাধ আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হবে।

এছাড়া সরকারি চাকরির পরীক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও তার সাজা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

তাতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি পরীক্ষার্থী না হয়েও নিজেকে পরীক্ষার্থী হিসেবে হাজির করলে বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে বা অন্য কোনো ব্যক্তির নামে বা কোনো কল্পিত নামে পরীক্ষায় অংশ নিলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি কোনো পরীক্ষার্থীকে কোনো লিখিত উত্তর, বই, লিখিত কাগজ, পৃষ্ঠা বা এখান থেকে কোনো উদ্ধৃতি পরীক্ষার হলে সরবরাহ করলে বা মৌখিকভাবে বা যান্ত্রিক কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে সহায়তা করলে তার দণ্ড হবে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। প্রশ্নপত্র ফাঁস বাদে অন্যান্য অপরাধের সাজা হবে মোবাইল কোর্ট আইনে।

বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অর্ডিন্যান্সের অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন এমনভাবে বহাল থাকবে, যেন এটি নতুন আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১ জন সভাপতি এবং ৬ থেকে সর্বোচ্চ ২০ জন সদস্যের সমন্বয়ে কমিশন গঠিত হবে।
 

Advertisement

প্রশ্নফাঁস সাজা কারাদণ্ড সংসদে বিল পাস

Advertisement

আরও পড়ুন

যে অভিযান গোয়েন্দা সিনেমাকেও হার মানিয়েছে

যে অভিযান গোয়েন্দা সিনেমাকেও হার মানিয়েছে

দেশ অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিলেন সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা

দেশ অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিলেন সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা

জুলাইয়ে শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক ডিআইজি হামিদুল গ্রেফতার

জুলাইয়ে শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক ডিআইজি হামিদুল গ্রেফতার

অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার বিষয়ে যা জানাল ডিবি

অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার বিষয়ে যা জানাল ডিবি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম