Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ফের বন্যার শঙ্কা

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৩৬ এএম

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ফের বন্যার শঙ্কা

Advertisement

গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। এতে করে লালমনিরহাটসহ চার জেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে এ পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ওপরে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ডালিয়ায় পানি ২৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বর্তমানে পানি ধীর গতিতে বাড়ছে।

তবে ভারতের উজানে পশ্চিমবঙ্গের দোমোহনী ও গজলডোবা এলাকায় পানির স্তর কিছুটা কমেছে। দোমোহনীতে সকাল ৯টায় পানি ছিল ৮৫ দশমিক ৫৯ মিটার, রাত ৮টায় তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ৫২ মিটারে। ১১ ঘণ্টায় পানি কমেছে ৭ সেন্টিমিটার। একই সময়ে গজলডোবা ব্যারাজে পানি ৫ সেন্টিমিটার কমেছে।

উজানে পানির এমন প্রবণতা থাকলেও রাত ১২টা পর্যন্ত তিস্তায় পানি কিছুটা বাড়তে পারে। এরপর তা স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, তিস্তা অববাহিকায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে তিস্তার পানি আবার বাড়তে পারে এবং নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে এই ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানি কিছুটা বেড়েছে ঠিকই, তবে এখনো বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

Advertisement

তিস্তা চুক্তি লালমনিরহাট

Advertisement

আরও পড়ুন

সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিপ্লব ঘটাতে সহজ অর্থায়নে জোর দিচ্ছে সরকার

সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিপ্লব ঘটাতে সহজ অর্থায়নে জোর দিচ্ছে সরকার

মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ

মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ

সচিব হলেন বাবুল মিঞা

সচিব হলেন বাবুল মিঞা

পৈতৃক জমি কতটুকু রয়েছে, বের করবেন যেভাবে

পৈতৃক জমি কতটুকু রয়েছে, বের করবেন যেভাবে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম