নীল জলরাশি আর নারিকেলগাছের হাতছানি, খুলছে সেন্টমার্টিন
Advertisement
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
ছবি: নাছির উদ্দীন রাজ
ছবি: নাছির উদ্দীন রাজ
ছবি: নাছির উদ্দীন রাজ
ছবি: নাছির উদ্দীন রাজ
ছবি: নাছির উদ্দীন রাজ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশির মাঝে জেগে ওঠা বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। স্বচ্ছ নীল জল, সারি সারি নারিকেলগাছ আর চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা দ্বীপটি স্থানীয়দের কাছে ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’ নামে পরিচিত। দীর্ঘ নয় মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে আবারও দ্বীপটিতে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকেরা। নৌপথে যেতে যেতে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন তারা।
মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপে প্রায় ১২ হাজার মানুষের বসবাস। জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সেন্টমার্টিনে রয়েছে ১৫৪ প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল, ৬৮ প্রজাতির প্রবালসহ নানা ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী। দ্বীপটির চারপাশের স্বচ্ছ জলরাশি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।
সড়কপথে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সুযোগ নেই। নৌপথেই পৌঁছাতে হয় দ্বীপটিতে। যাত্রাপথে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থল পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এর সঙ্গে নীল জলরাশি, দিগন্তজোড়া সমুদ্র আর উপকূলের সৌন্দর্য ভ্রমণকে করে তোলে আরও উপভোগ্য।
সেন্টমার্টিন যাত্রার জন্য টেকনাফ এলাকায় রয়েছে দমদমিয়া জেটি, টেকনাফের কায়ুকখালী জেটি ঘাট ও শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট। এসব ঘাট থেকে নৌযানে করে দ্বীপে যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি আবারও উন্মুক্ত হচ্ছে। এবার পর্যটক প্রবেশের ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জনের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে ফি দিতে হবে।
এবার পর্যটকদের জন্য দ্বীপে রাতযাপনের সুযোগও থাকছে। তবে ভ্রমণের সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সচেতন থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্বচ্ছ নীল জলরাশি ও প্রবাল দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে নতুন মৌসুমে পর্যটকদের আগমনের অপেক্ষায় সেন্টমার্টিন।
