আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলন
সিউলে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
আইসিএপিপির প্রতিনিধিবৃন্দ এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা বিএনপির প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তর্জাতিক সম্মেলন (আইসিএপিপি)-এর ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
বুধবার (৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুরে প্রতিনিধিদলটি সিউলে পৌঁছায়। দলটিতে রয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
সিউলের ইনচন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে আইসিএপিপির প্রতিনিধিবৃন্দ এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা বিএনপির প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান।
সম্মেলন উপলক্ষে বুধবার সন্ধ্যায় সিউলের হোটেল শিলায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্মানে স্বাগত নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে। একই দিন রাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির ৪৬তম সভা।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় হোটেল শিলায় আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে এশিয়ার ৩৭টি দেশের ৯৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
সম্মেলনের প্রথম দিন দুটি প্ল্যানারি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম প্ল্যানারি অধিবেশনে অংশ নেবেন বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে আস্থা পুনর্গঠন’। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সমসাময়িক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সংলাপ এবং আস্থা প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন অংশগ্রহণকারীরা।
পাশাপাশি অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং সম্মেলন শেষে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ৬ নভেম্বর বিকালে সমাপনী অধিবেশনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হবে।
উল্লেখ্য, এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের পাঁচটি রাজনৈতিক দল—বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

