Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক জেতার প্রত্যাশা লিটনের

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০১ পিএম

এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক জেতার প্রত্যাশা লিটনের

ফাইল ছবি

Advertisement

এশিয়ান গেমসে এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার নেতৃত্বে সোনার পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। লিটন মনে করেন, এশিয়ান গেমসে খেলার সুযোগ খুবই বিরল। প্রথমবারের এই অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় করতে সোনার পদক জিততে চান তিনি।

২০১০ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ। এটাই এশিয়ান গেমসে দেশের একমাত্র সোনার পদক। ২০১৪ ও ২০২৩ সালে বাংলাদেশ জিতেছে ব্রোঞ্জ। মেয়েদের ক্রিকেটে বাংলাদেশের অর্জন দুটি রুপা ও একটি ব্রোঞ্জ।

২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের সঙ্গে এশিয়ান গেমসের সূচি একই সঙ্গে হওয়ায় লিটনসহ বাংলাদেশের সামনের সারির প্রায় সব ক্রিকেটারই সর্বশেষ আসরে খেলতে পারেননি।

লিটন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলছি। কিন্তু এশিয়ান গেমসে এবারই প্রথম খেলব। আমরা সবসময় ট্রফি জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলি। তবে এবার বড় স্বপ্ন সোনার পদক জয় করা। সব খেলোয়াড়ই এ নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমারও প্রত্যাশা আছে। 

২০২৮ সালের অলিম্পিকের দিকেও এশিয়ান গেমসকে গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে দেখছেন লিটন। তার লক্ষ্য, এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের ছাপ রেখে অলিম্পিক পর্যায়ে কীভাবে এগোতে হবে, সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করা।

তিনি বলেন, সবাই দেশের জন্য অবদান রাখতে চায়। ক্রিকেটের মাধ্যমে আমরা সেটা করতে পারি। আমাদের অবশ্যই কিছু চ্যালেঞ্জ থাকবে। তবে ম্যাচগুলোতে ভালো করার দিকেই আমাদের মনোযোগ। আমরা এশিয়ান গেমসের ফাইনালে উঠতে চাই। তাহলে অলিম্পিকে জায়গা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা শেষ পর্যন্ত দেশের অন্য খেলাধুলার জন্যও সহায়ক হবে।

তবে বাংলাদেশের বড় চিন্তার জায়গা এ বছর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার সংখ্যা। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত আটটি টি-টোয়েন্টির মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র তিনটি। 

নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলোতেই এই ম্যাচগুলো খেলেছে তারা। সর্বশেষ জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ।

লিটনের মতে, ঢাকার অনুশীলন ক্যাম্প ও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ বহু দলের টুর্নামেন্টে কাজে দেবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যত বেশি খেলোয়াড় এসব লিগে খেলবে, আমাদের সামগ্রিক ক্রিকেটের জন্য ততই ভালো হবে। একসময় সাকিব ভাই বা ফিজ ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেললেই মানুষ বাংলাদেশকে চিনত। একজন বা দুজন খেলোয়াড় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেললে অন্যদের জন্যও সুযোগ তৈরি হয়।

টি-টোয়েন্টির লোয়ার-মিডল অর্ডার আরও শক্তিশালী করতে ইয়াসির আলীকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন লিটন। তিনি বলেন, আমরা দলের নিচের দিকে আরও ভালো বিকল্প খুঁজে বের করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। এই মুহূর্তে রাব্বি (ইয়াসির) দলে ফিরেছে। জিম্বাবুয়েতে সে ভালো করেছে। সাধারণত লোয়ার-মিডল অর্ডারে ব্যাট করার জন্য বাংলাদেশের তিন-চারজন বিকল্প আছে। আমরা সব বিকল্প বিবেচনা করব এবং সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যাটারকে খেলাব।

এশিয়ান গেমসকে অন্য খেলাগুলোর অ্যাথলেটদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ হিসেবেও দেখছেন লিটন। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ছোটবেলা থেকেই অন্যান্য খেলা দেখার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে।

লিটন বলেন, আমি সবসময় অন্য খেলাগুলো দেখতে আগ্রহী। বিকেএসপির শিক্ষার্থী হওয়ার কারণেই হয়তো এমনটা হয়েছে। সময় পেলে অবশ্যই অন্য খেলাগুলো দেখতে যাব। অন্যান্য খেলার খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটদের সঙ্গেও কথা বলার সুযোগ হবে।

এদিকে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেছেন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তার পরিবর্তে ২৯ বছর বয়সি রহস্যময় স্পিনার আলিস আল ইসলামকে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি দলে ডাক দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ইএসপিএন

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম