চ্যাটজিপিটির সহায়তায় সাবেক প্রেমিকার বিরুদ্ধে মামলা জিতলেন যুবক
আইটি ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চ্যাটজিপিটির সহায়তায় আদালতে নিজেই নিজের মামলা পরিচালনা করেছেন যুক্তরাজ্যের এক দমকলকর্মী। এই মামলায় সফলভাবে সাবেক প্রেমিকার কাছ থেকে ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরতও পেয়েছেন তিনি।
৪০ বছর বয়সি ক্রেইগ টিচেনার ২০১৯ সালের নভেম্বরে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারলাইনস’ লটারি স্ক্র্যাচকার্ডে ২ লাখ পাউন্ড জিতেছিলেন। ২০২২ সালে তিনি তার তৎকালীন প্রেমিকা হিদার ডগলাসকে ৪০ হাজার পাউন্ড দেন।
ডগলাস একজন সাইকিয়াট্রিক নার্স। তার আর্থিক বিষয়ে জ্ঞান থাকায় টিচেনার চেয়েছিলেন, তিনি ওই অর্থ তার পক্ষে বিনিয়োগ করবেন।
আদালতে বলা হয়, দুজনের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল টাকাটি প্রিমিয়াম বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে এবং সেখান থেকে পাওয়া মুনাফা তারা ভাগ করে নেবেন।
পরে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। তখন টিচেনার তার দেওয়া ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত চান। কিন্তু ডগলাস টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।
টিচেনার প্রথমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তাদের চাওয়া আইনি ফি তার সামর্থ্যের বাইরে ছিল। এরপর তিনি আইনি সহায়তার জন্য চ্যাটজিপিটির দ্বারস্থ হন।
চ্যাটজিপিটি তাকে প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণ এবং আদালতে নিজেই কীভাবে মামলা পরিচালনা করবেন, সে বিষয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। সেই সহায়তা নিয়ে সেন্ট্রাল লন্ডন কাউন্টি কোর্টে নিজেই নিজের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন টিচেনার।
আদালতে টিচেনার বলেন, নিজেই মামলা পরিচালনা করা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য তার ছিল না। চ্যাটজিপিটির সহায়তা ছাড়া তিনি হয়তো মামলায় জয়ী হতে পারতেন না বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে ডগলাসের দাবি ছিল, ৪০ হাজার পাউন্ড তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি আদালতে নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দেননি। শেষ পর্যন্ত আদালত টিচেনারের পক্ষে রায় দেন এবং ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত পাওয়ার পথ খুলে যায়। এদিকে ডগলাসের অভিযোগ ছিল, টিচেনার তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করেছিলেন।
সূত্র: সামা টিভি
