Logo
Logo
×

Advertisement

সম্পাদকীয়

শত বাধা পেরিয়ে

Advertisement

Icon

বিমল সরকার

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শত বাধা পেরিয়ে

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ব্যক্তি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। আরও গৌরবদীপ্ত পরিচয়- বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ছিল শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে শেখ মুজিবুর রহমান ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কোল আলোকিত করে শেখ হাসিনার জন্ম। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ। জীবনে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে ৭৩ বছরে পা রাখলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ইতিমধ্যেই তিনি ৩৯ বছরে পদার্পণ করেছেন। শেখ হাসিনা চারবারের প্রধানমন্ত্রী (১৯৯৬-২০০১, ২০০৮-২০১৩, ২০১৪-২০১৮ ও ২০১৯ থেকে চলমান)।

২০০৯ সাল থেকে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। টানা তিন মেয়াদ। আর আগের মেয়াদসহ মোট চার মেয়াদ। টানা ১১ বছরসহ মোট প্রায় ১৬ বছরের শাসনকাল।

সরকারপ্রধান এবং একইসঙ্গে ৩৯ বছর ধরে দলপ্রধান- যা কেবল এশিয়া-ইউরোপ নয়, সারা বিশ্বেই একটি দৃষ্টান্ত। আমাদের দেশে গত ৪৮ বছরের মধ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো রাজনৈতিক দল বা জোটের টানা দুই মেয়াদ ক্ষমতায় থাকার সুযোগ হয়নি।

একটি কথা প্রায়ই বলা হয়ে থাকে- আমাদের মতো দেশে ঘনঘন সরকার পরিবর্তনে সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া এমন পরিবর্তনের ফলে কোনো কাজেরই ধারাবাহিকতা থাকে না। ঘনঘন সরকার বা সরকারের ধরন পরিবর্তন এবং বারবার স্বৈরশাসনের আসল রূপ প্রত্যক্ষ করেছে এদেশের জনগণ।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ ও জাতির অনেক উন্নয়ন-অগ্রগতি হয়েছে। আবার দুর্নীতি ও অনিয়ম-অব্যবস্থা নিয়ে দেশে-বিদেশে আলোচনা-সমালোচনারও কমতি নেই; বিশেষ করে দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচন কেবল সরকার নয়, গোটা জাতিরই ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা খ্যাতি ও কর্মকাণ্ড বিচারে কোনো কোনো দিক দিয়ে পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও অতিক্রম করে গেছেন। ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ এক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দেশের জনগণের সঙ্গে সত্যিকার অর্থে শেখ হাসিনার পরিচয় ঘটে।

পরাধীনতার সময় আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ত্যাগ-তিতিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর তুলনা বিরল। আর দেশে ও বহির্বিশ্বে কন্যা শেখ হাসিনার সাফল্যও অসামান্য। দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘকালীন নেতা শেখ হাসিনা। শাসনব্যবস্থায় দীর্ঘকালীন প্রশাসক শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে দলের সভাপতি ও সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘সব ভালো যার শেষ ভালো’। ইংরেজিতে একটি কথা আছে- ‘উই লিভ ইন ডিডস, নট ইন ইয়ারস’। আমরা বেঁচে থাকি আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে, কতদিন বাঁচলাম এই পৃথিবীতে বয়সের সেই পরিসংখ্যান দিয়ে নয়। যিনি কীর্তিমান শুধু তারই মরণ নেই। তিনি থাকেন মানুষের মনের মন্দিরে চিরজীবী হয়ে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নেতৃত্বাধীন সরকার, দল ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগ, আমাদের সবার প্রিয় স্বদেশভূমি, সর্বোপরি গোটা জাতির সামনেই এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সমস্যা সবাইকে সারাক্ষণ ভাবনায় রাখে- দুর্নীতি-সন্ত্রাস-নৈরাজ্য-লুটপাট-রোহিঙ্গা ইস্যু।

অন্যদিকে সামনেই মহান নেতা স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। এছাড়া ২০২১ সালে মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন। সবকিছু সামাল দিয়ে ভালোয় ভালোয় করতে পারলে শেখ হাসিনার নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

শত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে জনকল্যাণে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখুন। অনন্য শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবী হোন।

বিমল সরকার : কলেজ শিক্ষক

Advertisement

শেখ হাসিনা

Advertisement

আরও পড়ুন

সৌদি আরবে হুথিদের হামলা

সৌদি আরবে হুথিদের হামলা

পানিতে মলের জীবাণু

পানিতে মলের জীবাণু

দুর্নীতির মরণফাঁদে কৃষক

দুর্নীতির মরণফাঁদে কৃষক

প্রবীণদের শেষ জীবনের নিরাপত্তা

প্রবীণদের শেষ জীবনের নিরাপত্তা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম