Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

সংখ্যা খুব বড় নয় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সংখ্যা খুব বড় নয় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

Advertisement

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভিসা বিধিনিষেধের আওতায় বিরোধী দলগুলোর নামও থাকতে পারে। নিষেধাজ্ঞায় পড়াদের সংখ্যার বিষয়ে আমাদের এমন একটি ধারণা দেওয়া হয়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি সেই সংখ্যাটা খুব বড় নয়, ছোট। কারণ র‌্যাবের স্যাংশনের পর নতুন করে কোনো ঘটনা ঘটেনি, যাতে নতুন করে স্যাংশন আসতে পারে। এ ব্যাপারে আমরা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।

শাহরিয়ার আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের ভালো বৈঠক হয়েছে। তাদের কনসার্নের (উদ্বেগের) জায়গাগুলো নিয়ে যে আমরা কাজ করছি, সেটা দৃশ্যমান। তারাও বলেছে যে, আমরা উন্নতি করছি। প্রত্যাশা যে, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তারা নিশ্চয় তথ্য যাচাই করে তা করছে। 

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের ভেতরেও পরিবর্তন লক্ষণীয়। সেটি ভিসানীতির কারণে হতে পারে। কাজের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা তৈরি করলে, আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ করব। তারা যদি না বলেন, তাহলে তো জানা কঠিন। তবে নিষেধাজ্ঞার তালিকা খুব বড় নয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে কোনো দেশের বা সংস্থার হস্তক্ষেপ আমরা দেখতে চাই না। কিন্তু তারা যখন এটা প্রথমে ঘোষণা করেছেন, এটাকে আমরা ভালোভাবেই নিয়েছি। এটা আমরা বলেছিও। 

আর একটি বিষয় হলো, আমরা এখনো দেখছি জনজীবনে বাধা সৃষ্টি করে কিছু রাজনৈতিক দল একদফা দাবি আদায়ে মাঠে আছে। এই একদফা দাবি সংসদে সংশোধনীর মধ্য দিয়ে অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। তারাই এখন নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা বলেছে, নির্বাচন হতে দেবে না। তাই আমরা মনে করি মার্কিন ভিসানীতিতে সংখ্যায় বিএনপি-জামায়াতেরই বেশি থাকা উচিত। কারণ আমরা তো বলছি, সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাবে। 

নির্বাচনের আগে বিরোধী দলকে যে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, এটাই প্রমাণ করে সরকার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে আন্তরিক। কেউ যদি কোনো নাশকতা করে, তবে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। বিএনপি চাপে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের কিছু হারানোর নেই। আমরা মোটেও দুশ্চিন্তা করছি না। আমাদের কারও বিরুদ্ধে স্যাংশন এলে পার্টিকুলার (নির্দিষ্ট) বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় রাজনীতিতে কোনো কোনো দল ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছিল এটা শুধু সরকারের বিরুদ্ধে বা দলের বিরুদ্ধে হবে। কিন্তু ভিসানীতিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কথাও বলা আছে। বিরোধী দল বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখন কিছু বলেনি। অতীতে নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যখন আলোচনা করেছিলাম তখন দুটি রাজনৈতিক দলের কথা উঠেছিল। এর একটি বিএনপি অপরটি জামায়াত।

এর আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক ঘোষণায় বলা হয়, ভিসানীতির প্রয়োগ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যেসব ব্যক্তি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এদের মধ্যে আছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ক্ষমতাসীন দল এবং রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষ। 

পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সমর্থন করতে বদ্ধপরিকর। নির্বাচন অবশ্যই শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণায় আরও বলা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে; তাদের পরিবারের সদস্যরাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত। তার বাইরেও কেউ যদি নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে তবে তাকেও ভিসা দেওয়া হবে না।
 

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

ভয়ের বদলে তোয়াক্কা না করার সংস্কৃতি চালু নিয়ন্ত্রণে আসছেই না আইনশৃঙ্খলা

নিয়ন্ত্রণে আসছেই না আইনশৃঙ্খলা

উচ্ছেদ নিয়ে রণক্ষেত্র মিরপুর

উচ্ছেদ নিয়ে রণক্ষেত্র মিরপুর

প্রবেশ পাশ নিয়ে যাচ্ছে তাই অবস্থা অরক্ষিত সচিবালয়, শঙ্কা নিরাপত্তা নিয়ে

অরক্ষিত সচিবালয়, শঙ্কা নিরাপত্তা নিয়ে

সংবাদ সম্মেলনে মাহ্দী আমিন আন্তর্জাতিক পরিসরে জাতীয় স্বার্থকে অটুট রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক পরিসরে জাতীয় স্বার্থকে অটুট রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম