খুলনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ ভাঙচুর
jugantor
খুলনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ ভাঙচুর

  খুলনা ব্যুরো  

০৮ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাটি গ্রামের হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বলে নিশ্চিত করেছেন এসপি। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের বাড়িঘর এবং মসজিদ ও মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ স্থানীয় জনপ্রতিনিদের নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য দিবাংশু মালাকার জানান, শুক্রবার রাতে এশার নামাজের সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ব্যক্তি শব নিয়ে শিয়ালী গোয়াড়া মহাশ্মশানের দিকে যাচ্ছিলেন। শ্মশানে যেতে দায়পাড়া জামে মসজিদের সামনে দিয়ে যেতে হয়। এ সময় লোকজন ঢাক-ঢোল পেটাচ্ছিলেন। সময়টি এশার নামাজের সময় হওয়ায় মসজিদের একজন মুসল্লি ওই হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের মসজিদের সামনে ঢাক-ঢোল পেটাতে নিষেধ করেন। সেখানে কথা কাটাকাটির জের ধরে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার জের ধরে রাতেই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন মসজিদে ইট পাটকেল ছুড়ে মারে ও ভাঙচুর চালায়।

পরে শনিবার সন্ধ্যায় মুসলমানরা হিন্দুদের ৩টি মন্দিরে ভাঙচুর চালায়। এ সময়ের মধ্যে কয়েকটি বাড়িতেও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খুলনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিদের নিয়ে আমরা বসেছি।’

খুলনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ ভাঙচুর

 খুলনা ব্যুরো 
০৮ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাটি গ্রামের হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বলে নিশ্চিত করেছেন এসপি। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের বাড়িঘর এবং মসজিদ ও মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ স্থানীয় জনপ্রতিনিদের নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য দিবাংশু মালাকার জানান, শুক্রবার রাতে এশার নামাজের সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ব্যক্তি শব নিয়ে শিয়ালী গোয়াড়া মহাশ্মশানের দিকে যাচ্ছিলেন। শ্মশানে যেতে দায়পাড়া জামে মসজিদের সামনে দিয়ে যেতে হয়। এ সময় লোকজন ঢাক-ঢোল পেটাচ্ছিলেন। সময়টি এশার নামাজের সময় হওয়ায় মসজিদের একজন মুসল্লি ওই হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের মসজিদের সামনে ঢাক-ঢোল পেটাতে নিষেধ করেন। সেখানে কথা কাটাকাটির জের ধরে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার জের ধরে রাতেই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন মসজিদে ইট পাটকেল ছুড়ে মারে ও ভাঙচুর চালায়।

পরে শনিবার সন্ধ্যায় মুসলমানরা হিন্দুদের ৩টি মন্দিরে ভাঙচুর চালায়। এ সময়ের মধ্যে কয়েকটি বাড়িতেও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খুলনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিদের নিয়ে আমরা বসেছি।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন