তৃতীয় মত
ইউক্রেন সমস্যা বাংলাদেশে কী প্রভাব ফেলবে?
Advertisement
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আমি যখন ঢাকায় ছিলাম, প্রায়ই পুরান ঢাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যেতাম। ড্রইংরুমে বসে যখন চা খেতাম, তখন মাঝে মাঝে একটা দৃশ্য দেখতাম। বন্ধুর দুই ছেলে। একজন খুব হৃষ্টপুষ্ট, বলশালী। অন্যজন একেবারেই হালকা-পাতলা, লিকলিকে চেহারার।
এই দুই ছেলের মধ্যে মাঝে মধ্যে মারামারি লাগত। বড় ছেলে তার ছোট ভাইকে ধরে খুব পেটাত। ছোট ছেলে মার খেত আর বলত, ‘আরেকটা দিয়ে দেখ’। বড় ভাই আরেকবার মারত। ছোট ভাই বলত, ‘আরেকবার দিয়ে দেখ’।
তারপর বড় ভাই মার বন্ধ করলে ছোট ভাই বলত, ‘যা, এবারের মতো তোরে ছেড়ে দিলাম’। প্রায় ৫০/৬০ বছর আগের এই ঘটনাটি মনে পড়ল ইউক্রেনে পশ্চিমা শক্তির হাঁকডাক দেখে।
রাশিয়া এত সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে কোনো জবাব দিচ্ছে না। চুপচাপ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন কয়েকবারই বলেছেন, ‘আমি ইউক্রেন আক্রমণ করতে চাই না। ইউক্রেনের সীমান্তে রুশ সৈন্য সমাবেশের উদ্দেশ্য ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা শক্তি যাতে রাশিয়া আক্রমণের জন্য ন্যাটো এবং তার আণবিক ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করতে না পারে’।
রাশিয়া চায় ইউক্রেন সমস্যার সমাধান, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে পশ্চিমা শক্তির বৈঠক এবং সেই বৈঠকে রাশিয়াকে এই নিশ্চয়তা দেওয়া যে, তারা রাশিয়ার এই সাবেক ভূখণ্ডে খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে সামরিক শক্তির সমাবেশ ঘটাবে না। পশ্চিমা শক্তি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে, তবে এই নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। রাশিয়াও তাই ইউক্রেন সীমান্ত থেকে সৈন্য প্রত্যাহার না করে ইউক্রেনে ঢুকে পড়েছে।
ইরাকের মতো ভুলটি তারা করতে চায় না। ইরাকের সাদ্দাম হোসেন পশ্চিমা শক্তিকে বিশ্বাস করে ইরাকের হাতে মারণাস্ত্র আছে কিনা পরীক্ষা করার জন্য, অস্ত্র পরিদর্শক দলকে একেবারে প্রেসিডেন্ট হাউসে ঢুকতে দিয়েছিল। তারা প্রেসিডেন্ট সাদ্দামের বিছানার গদি উলটে তল্লাশি করেছে কোনো মারণাস্ত্র আছে কিনা। তারা কোনো মারণাস্ত্র পায়নি।
তারপরও বুশ এবং ব্লেয়ার ইতিহাসের জঘন্যতম মিথ্যাচার করে ইরাক আক্রমণ করেছে এবং সাদ্দাম হোসেনকে অবৈধভাবে হত্যা করেছে। সাদ্দামের হাতে আণবিক অস্ত্র ছিল না। তাই তাকে মরতে হয়েছে। কিন্তু পুতিনের হাতে মারণাস্ত্র আছে। তাই ইউরোপ-আমেরিকার সব শক্তি জোট পাকিয়েও ইউক্রেনে যুদ্ধ বাধাতে সাহস পাচ্ছে না। কেবল আমার বন্ধুর ছোট ছেলের মতো দিনের পর দিন গজরাচ্ছে।
রাশিয়াকে চোখ রাঙানিতে কাবু করতে না পেরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ ক্রমাগত বাড়াচ্ছে। অর্থনৈতিক অবরোধের এই ভোঁতা অস্ত্র তারা সাদ্দাম হোসেনের ইরাকের বিরুদ্ধেও আরোপ করেছিল। ইরাকের তেল কাউকে বেচতে দেয়নি। ১২ বছর ধরে এই অবরোধ চালানোর ফলে ১৭ লাখ শিশু ও নারীর প্রাণহানি হয়েছিল। অর্থনৈতিক অবরোধ দ্বারা ইরাককে কাবু করতে না পেরে রূপকথার ছাগল ও বাঘের গল্পের মতো তার বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।
কিন্তু বর্তমান রাশিয়া ইউক্রেন নয় এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনও সরলমনা সাদ্দাম হোসেন নন। তার হাতে মারণাস্ত্র আছে। তাছাড়া তারও পালটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের শক্তি আছে। ইউক্রেনে যদি যুদ্ধ বাধে এবং রাশিয়া ইউরোপে তেল সরবরাহ বন্ধ করে, তাহলে সাময়িকভাবে হলেও ইউরোপ মহাসংকটে পড়বে। তারা আমেরিকার উসকানিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে রাজি হবে কিনা সন্দেহ।
অন্যদিকে, রাশিয়া তার অর্থনৈতিক শক্তি এতটাই পাকাপোক্ত করেছে যে, পশ্চিমা শক্তির ভোঁতা অর্থনৈতিক অবরোধে সে আঘাত পাবে, ভেঙে পড়বে না। ক্রুশ্চেভ একটা ভুল করেছিলেন। সামরিক শক্তি অর্জনের দিকেই সব অর্থ ব্যয় করেছিলেন। পুতিন সেই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। তিনি সামরিক খাতে যেরকম, সেরকম অর্থ অর্থনৈতিক খাতে ব্যয় করেছেন। ফলে রুশ জনগণ তার ওপর তুষ্ট।
আমেরিকা রাশিয়াকে আক্রমণের দুঃসাহস দেখালে আণবিক যুদ্ধে শুধু রাশিয়া নয়, আমেরিকাও ধ্বংস হবে। জয়-পরাজয় কারও হবে না। আমেরিকা এ কথাটা জানে। সুতরাং আশা করা যায়, এই হুমকি-ধমকির মধ্যেই যুদ্ধের পাঁয়তারা শেষ হবে। যদি রাশিয়া কখনো ইউক্রেন গ্রাস করে, সেটা ইউক্রেনের জনগণের ইচ্ছাতেই হবে। তবে পশ্চিমা শক্তি ইউক্রেনে তাদের সামরিক শক্তি বাড়াতে থাকলে, রাশিয়াও আক্রমণাত্মক নীতি নিতে পারে।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় রুশ নেতা স্টালিন প্রথমে হিটলারের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করেন। তারপর হিটলার যখন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করে, তখন তার অর্ধাংশ স্টালিন দ্রুত দখল করে নেন। পশ্চিমা জগতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় উঠেছিল। তারা বলেছিল, রাশিয়ারও এটা সাম্রাজ্যবাদী নীতি। পরে হিটলার যখন রাশিয়া আক্রমণ করে, তখন পশ্চিমা ক্রিটিকরা বলতে বাধ্য হলেন, স্টালিনের পরিণামদর্শিতা অসাধারণ। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন হিটলার যতই শান্তিচুক্তি করুক, রাশিয়া আক্রমণ করবেই। তাই আগেভাগেই যুদ্ধের সীমানা ফিনল্যান্ড পর্যন্ত সরিয়ে রেখেছিল। তা না হলে হিটলার সরাসরি রাশিয়ায় ঢুকে পড়তে পারত। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ব্রিটেন একটার পর একটা যুদ্ধে পিছু হটছিল। রাশিয়াই যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং মানবসভ্যতাকে রক্ষা করে। যদি বর্তমান রাশিয়া ইউক্রেন দখল করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে পশ্চিমা শক্তির সামরিক তৎপরতা সেখানে সীমানা ছাড়িয়েছে।
এটা গ্লোবালাইজেশনের যুগ। পৃথিবীর এক প্রান্তে কোনো ঘটনা ঘটলে পৃথিবীর অপর প্রান্তে তার ঢেউ লাগে। ইউক্রেন সমস্যায় বাংলাদেশেরও সতর্ক হওয়া উচিত। পাশ্চাত্যের অর্থনৈতিক অবরোধের নীতি বাংলাদেশকেও আঘাত করবে। বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পরিমাণ গম আমদানি করে ইউক্রেন থেকে। পশ্চিমা শক্তি রাশিয়ার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক অবরোধ ঘোষণা করলে বাংলাদেশে এই গম আমদানি ব্যাহত হবে। এই আমদানিকৃত গম দ্বারা বাংলাদেশ তার চালের ঘাটতি পূরণ করে। সুতরাং আমার আশা, ইউক্রেন সংকটে বাংলাদেশ নিষ্ক্রিয় না থেকে তার গম আমদানি রক্ষায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমেরিকা ও ব্রিটেন যদি ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপরে অবরোধ আরোপ করে, তাহলেও বাংলাদেশ তার প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকবে না। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সম্পর্কে সচেতন আছে বলেই আশা করি।
বাংলাদেশের আরও সতর্ক হওয়া দরকার। আমাদের রূপগঞ্জে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প রাশিয়ার সাহায্যে চলছে। কয়েক হাজার রুশ সেখানে কাজকর্ম উপলক্ষ্যে আছে। পশ্চিমা অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে রূপগঞ্জ প্রকল্পে রাশিয়ার সাহায্যদান যদি ব্যাহত হয়, তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তা বড় ধাক্কা দেবে। বর্তমানে চীন ও ভারতের মধ্যে শক্তি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে নিয়ে টানাটানি চলছে। ইউক্রেন নিয়ে যুদ্ধ শুরু হলে রাশিয়া না পশ্চিমা শক্তি কোন পক্ষে বাংলাদেশ থাকবে, তা নিয়েও টানাটানি শুরু হবে।
আমি আগে থাকতেই বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তাদের নীতি আরও দূরদর্শী হওয়া দরকার। দু-নৌকায় নয়, তিন নৌকায় কী করে পা রেখে চলতে হবে, এই কূটনীতি বাংলাদেশকে আবিষ্কার করতে হবে। শেখ হাসিনা কূটনীতিতে অভিজ্ঞ এবং পররাষ্ট্র বিষয়ে তার দুই কর্ণধার আবদুল মোমেন এবং গওহর রিজভী অনভিজ্ঞ নন। তারা এই জটিল মুহূর্তে সঠিকভাবে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করুন। নইলে ইউক্রেন সংকটের ধাক্কা বাংলাদেশের মেঘনা নদীর তীরেও এসে পৌঁছবে।
ইউক্রেন সংকটে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের হুমকি-ধমকি না হয় সহ্য হয়। কিন্তু সাম্রাজ্যহারা ‘লিটল ব্রিটেন’ কী করে হুমকি-ধমকি মারে তা কারও কাছে অসহ্য, কারও কাছে রসাত্মক বিষয়। কবে কোন সুদূর অতীতে ১৮৫৩ সালে রাশিয়ার রাজা প্রথম নিকোলাসের সঙ্গে ক্রিমিয়া যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনারা জিতেছিল, তা নিয়ে তারা আজও বগল বাজিয়ে যাচ্ছে! ব্রিটেনের দেশরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস সম্প্রতি রাশিয়াকে ধমক দিয়েছেন। ১৮৫৩ সালের মতো তারা আবার রাশিয়াকে পরাজিত করবেন! মন্ত্রী মহোদয় ভুলে গেছেন, জার-শাসিত রাশিয়া ছিল একটি দুর্বল দেশ। আর ব্রিটেন তখন বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকারী। এখন অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত। রাশিয়া মহাশক্তিধর বিরাট দেশ। ব্রিটেন ‘সাম্রাজ্যহারা লিটল ইংল্যান্ড’! তার সাম্রাজ্য যেমন গেছে, তেমনি ‘ গ্রেটনেস’ও চলে গেছে। এখন সে লেজহারা বৃদ্ধ সিংহ। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ব্রিটেনের অবস্থা কী হবে তা তারা জানেন, বলছেন না। ১৯৫৬ সালের ‘সুয়েজ যুদ্ধে’ রাশিয়ার এক ধমকেই ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও ইসরাইল যুদ্ধ বন্ধ করে লেজ গুটিয়ে নিয়েছিল। বেন ওয়ালেস সে কথা স্মরণ করলেন না কেন
আরেকটা কথা, ইউক্রেন নিয়ে যুদ্ধ বাধলে বা পশ্চিমা শক্তি রাশিয়া আক্রমণ করলে চীনের ভূমিকা কী হবে তা তারা খতিয়ে দেখেননি। চীন এখন একাই পশ্চিমা শক্তিগুলোর কাছাকাছি পরাশক্তি। আমেরিকার অর্থনীতির নাটাইয়ের সুতো তার হাতে। আমেরিকার হালকা শিল্পের দ্রব্যাদি সবই চীন তৈরি করে। আমেরিকা এবং চীনের অর্থনীতি এখন ধনতান্ত্রিক এবং পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। রাশিয়াও এখন আর সমাজতান্ত্রিক দেশ নয়, ধনতান্ত্রিক দেশ। সুতরাং যুদ্ধ যদি বাধে, তা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের মতো দুটি ধনতান্ত্রিক শিবিরের মধ্যে যুদ্ধে পর্যবসিত হবে। চীন ও রাশিয়ার সম্মিলিত সমরশক্তি ইউরোপের চেয়ে অনেক বেশি। সামরিক শক্তিতে এই অসংগতি আমেরিকা পূরণ করতে পারবে কিনা সন্দেহ। ‘লিটল ইংল্যান্ডের’ হাতেও আণবিক অস্ত্র আছে। তা দিয়ে রাশিয়াকে কাবু করা যাবে না। রাশিয়ার হাতে আরও উন্নতমানের মারণাস্ত্র রয়েছে। বেন ওয়ালেস ১৮৫৩ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে ব্রিটেনের ‘স্কটিশ গার্ড’ জয়লাভ করেছিল। কিন্তু তার একশ বছর পরে ‘সুয়েজ যুদ্ধে’ রাশিয়ার এক হুমকিতেই ব্রিটিশ সিংহ (!) কীভাবে লেজ গুটিয়েছিল, সেই ইতিহাস উল্লেখ করেননি।
ইউক্রেন নিয়ে যদি যুদ্ধ বাধে তাহলে সেটা তৃতীয় মহাযুদ্ধে গড়াবে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে আমরা হিটলারের ভি-রকেটের তাণ্ডব দেখেছি। ভিয়েতনাম যুদ্ধে আমেরিকার নাপাম বোমার তাণ্ডব দেখেছি। কিন্তু তৃতীয় মহাযুদ্ধে যদি আণবিক বোমা ব্যবহৃত হয়, তাহলে এই তাণ্ডব দেখার জন্য আমরা বেঁচে থাকব না। আণবিক যুদ্ধের সর্বাত্মক ধ্বংসের পরে পৃথিবীতে যদি কিছুসংখ্যক মানুষ বেঁচে থাকে, তাহলে তারা নতুন কোনো সমাজ ও সভ্যতা গড়ে তুলতে পারবে কিনা তা আমরা জানি না। আমাদের কল্পনাকেও অত দূর প্রসারিত করতে চাই না। আমরা চাই বিশ্বব্যাপী শান্তি।
বাংলাদেশ যত ছোট হোক, এই বিশ্বায়নের যুগে তাকে বিশ্বশান্তি রক্ষায় একটা ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন তার সামর্থ্য ছিল ক্ষুদ্র, সেই সময়েও বঙ্গবন্ধু জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনে ইন্দিরা গান্ধী ও মার্শাল টিটোর সঙ্গে নেতৃত্ব গ্রহণ করে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। তাই হয়েছিলেন বিশ্ববন্ধু। শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশের নেতৃত্বে রয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় তার অবস্থান এখন খুবই প্রভাবশালী। বিশ্বশান্তি রক্ষায় শেখ হাসিনাকেও তাই ক্ষুদ্রতর সাহায্য ও সহযোগিতা দিতে হলেও দিতে হবে।
লন্ডন, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
