Logo
Logo
×

Advertisement

বাতায়ন

সমস্যাটা ইরানের একার নয়

Advertisement

Icon

মুঈদ রহমান

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সমস্যাটা ইরানের একার নয়

Advertisement

আমরা প্রায়ই আবেগকে নেতিবাচক অর্থে দেখি। তাহলে প্রশ্ন আসবে, মানুষ ও যন্ত্র কি সমার্থক? আমি তো মনে করি মানুষের মধ্যে আবেগ ও বিশ্বাসের একটা মিশ্রণ থাকে এবং তা অনিয়ন্ত্রিত নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক মেজর জেনারেল সোলেমানিকে হত্যা করার পর সারা ইরানের জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি আবেগঘন, যৌক্তিক প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়েছে।

সোলেমানির জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে প্রায় ৫০ জন মানুষ পদদলিত হয়ে মারা গেছেন, ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাটি মর্মান্তিক। কিন্তু পাশাপাশি মনে রাখতে হবে, এই হল ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিদর্শনের স্বরূপ। এ মুহূর্তে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি হৃদয় নিঃসৃত বাস্তব প্রশ্নের কথা মনে পড়ল। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে একটি যৌক্তিক প্রশ্নের অবতারণা করেন, যা ছিল- ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর লাশ যখন ৩২ নম্বরে পড়ে ছিল তখন এত নেতাকর্মী কোথায় ছিল? অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন। আমি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সোলেমানির তুলনায় নিশ্চয়ই যাব না। কিন্তু এ কথা তো বলাই যায়, ইরানের জনগণ তাদের ভালোবাসার মানুষের প্রতি যে শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন সে তুলনায় আমরা একশ’ ভাগ ম্রিয়মাণ ছিলাম। সেক্ষেত্রে আমরা ইরানিদের চেয়ে অনেক বেশি ‘সুবিধাবাদী’, অনেক বেশি ‘সুবিধাভোগীর’ পরিচয় দিয়েছি, সন্দেহ নেই।

ইরানের ইসলামী রেভল্যুশনারি গার্ড কুদসের কমান্ডার কাসেম সোলেমানিকে ৩ জানুয়ারি ভোরে ইরাকের বাগদাদে কাপুরুষোচিতভাবে হত্যা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। এ নিন্দিত কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে। এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে সারা বিশ্বে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় যে যৎসামান্য বিবেক-বিবেচনা থাকে তার তুলনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প অতিশয় নিু মানসিক স্তরের উদাহরণ রেখেছেন।

ইরানের আল কুদস বাহিনী হচ্ছে রেভল্যুশনারি গার্ডসের একটি অভিজাত বাহিনী। নিয়মিত সৈনাবাহিনীর আওতায় একে বিচার করা যাবে না। দেশের বাইরে ইরানের শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে এ বাহিনী কাজ করে থাকে। মেজর জেনারেল কাসেম সোলেমানি ১৯৯৮ সাল থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এ বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে এ মানুষটি খুব বেশি পরিচিত না হলেও সামরিক জগতের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অতিপরিচিত। এমনকি এ সময়ে তাকে বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত সমরবিদ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তারপরও তার পরিচিতির শুরুটা যদি বলি, সেটা হয়েছে ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের ভেতর দিয়ে। আমরা জানি, ইরানের সঙ্গে বহুদিন ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের টানাটানি আছে; কিন্তু তারপরও যেহেতু সোলেমানি ছিলেন আইএসবিরোধী, তাই যুক্তরাষ্ট্র নিজ স্বার্থের কারণেই কিছুকাল সহযোগিতামূলক আচরণ করে। সোলেমানিকে ইরানের শুধু একজন সেনা কমান্ডার হিসেবে ভাবলে তাতে অপূর্ণতা থেকে যাবে। ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে তার সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল। এ কারণে তাকে ইরানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মেজর জেনারেল কাসেম সোলেমানিকে ‘অর্ডার অব জুলফিকার’ খেতাবে ভূষিত করেন, যা বিপ্লব-উত্তর ইরানে প্রথম। স্বাভাবিকভাবেই তার নীতিনির্ধারণীর বিপরীতে পেশাগত উৎকর্ষ আমেরিকার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘ফরেন পলিসি’ নামে একটি জার্নাল প্রকাশিত হয়। এটি ২০১৯ সালে সারা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একটি বিশ্বাসযোগ্য তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় শ্রেষ্ঠ সমরবিদ হিসেবে নাম উঠে আসে মেজর জেনারেল কাসেম সোলেমানির। এতে শঙ্কিত হয়ে ওঠে মার্কিন প্রশাসন। তাৎক্ষণিকভাবেই সোলেমানিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। সিআইএ’র হিটলিস্টে নাম উঠে আসে সোলেমানির। মতাদর্শগত কারণেই তিনি ইসরাইল ও সৌদি আরবের বিরাগভাজন ছিলেন। আর এ সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাগদাদে সোলেমানির গাড়ি বহরে ড্রোন হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় আট সহযোগীসহ মেজর জেনারেল কাসেম সোলেমানিকে। সোলেমানি নিজ দেশে শুধু ক্ষমতাশালী ব্যক্তিই ছিলেন না, ছিলেন সাধারণ মানুষের অতি আপনজন, যাকে বীর হিসেবে অহঙ্কার করত ইরানের মানুষ। এর প্রমাণ মেলে যখন দেখি তার হত্যার প্রতিবাদে তেহরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষের আর্তনাদ আর প্রতিবাদ।

সোলেমানি হত্যাকাণ্ডের ভেতর দিয়ে বিশ্বের তেল-অর্থনীতিতে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। ইরাক-ইরান যেহেতু তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে, তাই মোট তেলক্ষেত্রের এক-তৃতীয়াংশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। মাত্র দুই দিনে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ। ব্যারেল প্রতি ৬৬ দশমিক ১৯ ডলারের তেল ৩ ডলার বেড়ে গিয়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৯ দশমিক ১৯ ডলারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অবস্থার অবনতি হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হবে। সেক্ষেত্রে স্বল্প আয়ের দেশগুলোর মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে কোনো সময়ের চেয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। যেহেতু সোলেমানি ছিলেন ইরানের নাগরিকদের কাছে একজন অতি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানীয় ব্যক্তি; স্বাভাবিকভাবেই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলী খামেনির কাছে প্রতিশোধ নেয়ার চাপ অভ্যন্তরীণভাবেই বাড়ছে। ‘‘সোলেমানি হত্যার প্রতিশোধের বার্তা দিয়ে ইরানের মসজিদের চূড়ায় যুদ্ধের ইঙ্গিত করে এমন লাল পতাকা উড়িয়েছে ইরানি জনগণ। শনিবার কোম প্রদেশের পবিত্র মসজিদ জামকারানের মসজিদের সর্বোচ্চ গম্বুজে লাল পতাকা উড়ায় কর্তৃপক্ষ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জামকারান মসজিদে লাল পতাকা উড়ল। এ পতাকা ওড়ানোকে সোলেমানি হত্যার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের বদলা নেয়ার অঙ্গীকার হিসেবে দেখা হচ্ছে। পতাকাটিতে লেখা রয়েছে, ‘যারা হোসেনের রক্তের বদলা নিতে চায়’। শিয়া সংস্কৃতিতে লাল পতাকা অন্যায় রক্তপাতের বদলা নেয়ার প্রতীক’’ (যুগান্তর, ০৬.০১.২০২০)। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি গত রোববার সোলেমানির পরিবারকে সান্ত্বনা-সহমর্মিতা জানাতে গেলে তার মেয়ে পিতৃহত্যার প্রতিশোধের দাবি তোলেন। সঙ্গত কারণেই প্রেসিডেন্ট প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবেই ব্যক্ত করেন। প্রেসিডেন্ট রুহানির আসলে সার্বিক জনগোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেবল ইরানের কথাই বলব কেন, ইরাকেরও একটি বড় অংশ প্রতিশোধ নেয়ার পক্ষে। আর সারা বিশ্বের গণতন্ত্র, বিবেকবান মানুষের কথা যদি বলেন, তারা ‘প্রতিশোধ’ শব্দটি হয়তো ব্যবহার করছেন না, তবে মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার চান, একটি সময়োচিত বিহিত চান। কিন্তু ইরানের সামনে প্রতিশোধের কী পথ আছে?

মেজর জেনারেল কাসেম সোলেমানি এতটাই তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ছিলেন যে অনেকেই মনে করেন, তাকে হত্যা করা হলে ‘সমুচিত জবাব’ দিতে ইরানকে কোন পথে এগোতে হবে তা তিনি মৃত্যুর আগেই নির্ধারণ করে গেছেন। তবে আমরা সে পথের কোনো সন্ধানের কথা আজও জানতে পারিনি। মঙ্গলবার শেষরাতে ইরাকে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। এটাকে কাসেম সোলেমানি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইরান প্রতিশোধ নিতে ৩৫টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পরিকল্পনা করেছে। এ ৩৫টি লক্ষ্যবস্তুর পরিকল্পনার মধ্যে ইসরাইলের রাজধানী তেলআবিবও রয়েছে। তবে প্রতিশোধের পন্থা যাই হোক, আর যতটাই কার্যকরী হোক, ইরান নিঃশর্তভাবে ফিলিস্তিনি জনগণ, ইয়েমেনের নির্যাতিত মানুষ, সিরিয়ার জনগণ ও সরকার আর ইরাকের জনগণের একটি বড় অংশের সমর্থন পাবে। বিশ্বজুড়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদবিরোধী শক্তির নৈতিক সমর্থন তো থাকবেই।

পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনও হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। তারা ইতিমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ৫২টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার হুশিয়ারি দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যে একটি অনুকরণীয় গণতান্ত্রিক দেশের প্রেসিডেন্ট হতে পারেন তা তার কথার ভেতর দিয়ে মোটেই প্রতিফলিত নয়। ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় বলেছেন, সামরিক অস্ত্র ভাণ্ডারে যুক্তরাষ্ট্র দুই ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। আমরাই বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বোত্তম সামরিক শক্তি। ইরান যদি মার্কিন ঘাঁটি বা অন্য কোনো আমেরিকানের ওপর হামলা চালায় তবে আমরা আমাদের ব্র্যান্ড নিউ এই ‘সুন্দর’ অস্ত্রগুলো সেখানে পাঠাব এ বিষয়ে কোনো সংশয় নেই। ট্রাম্পের কথাতেই উঠে এলো, আমেরিকা এখন আর বিশ্বের সেরা ‘সভ্য দেশ’ না হয়ে বিশ্বের সেরা ‘পেশিশক্তির’ দেশ হতে চলেছে। ট্রাম্প মুখে না বললেও যুগ যুগ ধরে মার্কিন প্রশাসনের আগ্রাসন নীতির কথা আমরা অবগত। আমেরিকার আর সভ্য-ভব্য হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো মানব উন্নয়ন কিংবা জীবনমুখী খাতের চেয়ে জীবনধ্বংসী অস্ত্র খাতেই বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাজেট ছিল ৭০০ বিলিয়ন ডলার। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ বাজেট বাংলাদেশের সামরিক ব্যয়ের তুলনায় প্রায় ২০০ গুণ বেশি। কিন্তু আমি বাংলাদেশকে তুলনায় আনতে নারাজ। কেননা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি আগ্রাসন সমর্থন করে না। তাই আমাদের সামরিক শক্তি নেহায়েতই আত্মরক্ষামূলক। পৃথিবীর কোনো দেশই আমাদের সামরিক প্রতিপক্ষ নয়। সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের তুলনা করা যেতে পারে। ভারতের সামরিক বাজেট ৫৩ বিলিয়ন ডলার, যার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাজেট প্রায় ১৪ গুণ বেশি। সুতরাং বিশ্বময় যুদ্ধ না বাধিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির চলার গতি আছে কি?

‘রক্তের বদলে রক্ত’ এটা হয়তো ইরানিরা ক্ষুব্ধ ও নিরুপায় হয়ে বলছেন। বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ হয়তো এটাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন নাও করতে পারেন; কিন্তু ইরানের মানুষের ভারাক্রান্ত আবেগকে কি অবজ্ঞা-অবহেলা করার সুযোগ আছে? তাই বিশ্ব-বিবেককে আজ মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। ট্রাম্প অত্যন্ত দম্ভের সঙ্গে বলেছেন, আমরা যাকে শত্রু মনে করব তাকে শেষ করে দেব। কোনো বিচার্য বিষয়ের অভিযোগকারী, তদন্তকারী, রায় প্রদানকারী এবং রায় কার্যকরকারী- চার ভূমিকাতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে অধিষ্ঠিত। এমন স্বেচ্ছাচারী বিচার কেউ মেনে নিতে পারে কি?
সমস্যাটা শুধু ইরানের একার নয়, কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়েরও নয়। মধ্যপ্রাচ্যের তেলের বাজার ও শ্রমবাজারের ওপর পৃথিবীর অনেক দেশের অনেক নাগরিকই নির্ভরশীল। তাই মধ্যপ্রাচ্যের যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রভাব সারা বিশ্বেই পড়বে। তাই আমরা বিশ্বের সব শান্তিকামী মানুষ আমেরিকার এ বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই, পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের যথাযথ পদক্ষেপের প্রত্যাশা করি।

মুঈদ রহমান : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

সমস্যা

Advertisement

আরও পড়ুন

সাক্ষাৎকার উচ্চ মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ বিশৃঙ্খল পরিবহণব্যবস্থা: ড. মোস্তফা কে. মুজেরী

উচ্চ মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ বিশৃঙ্খল পরিবহণব্যবস্থা: ড. মোস্তফা কে. মুজেরী

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা নীতি : নতুন করে ভাবতে হবে

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা নীতি : নতুন করে ভাবতে হবে

শক্তিপূজার উৎস সন্ধানে

শক্তিপূজার উৎস সন্ধানে

মা দুর্গার আগমন

মা দুর্গার আগমন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম