Logo
Logo
×

Advertisement

বাংলার মুখ

পঁচিশ হাজার সচল মিটার বিক্রি

টাকা ডোমার নির্বাহী প্রকৌশলীর পকেটে

Advertisement

Icon

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

ডোমার নেসকোর (নর্দান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি) প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গ্রাহকের ২৫ হাজার সচল মিটার বিক্রিসহ প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নীলফামারী জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নেসকোর অস্থায়ীভিত্তিক ১১ জন মিটার রিডার ও বিল বিতরণকারীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগকারীরা দীর্ঘ প্রায় ৭ থেকে ১৫ বছর ওই দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন। নেসকোর ডোমার শাখায় গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩৭ হাজার। বিগত ২০২৫ সাল হতে ওই দপ্তরে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন কাজ শুরু করে। ডোমার মিটার ইনচার্জ সুজন আলীর নির্দেশে মিটার রিডাররা স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনের কাজ শুরু করে। শুরুতেই স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনে গ্রাহকরা অনীহা প্রকাশ করে বাধা সৃষ্টি করেন। প্রকৌশলীরা ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদস্তিমূলক মিটার স্থাপনের নির্দেশ দেন। মিটার রিডাররা গ্রাহকদের সচল মিটার খুলে এনে অফিসে জমা করলে মিটার ইনচার্জ সুজন আলী পুরাতন মিটার হিসাবে মিটারগুলো বিক্রি করে দেন। মিটার স্থাপন চলাকালীন সময়ে প্রকৌশলীরা কমিশন হিসাবে এক ফেজ প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনের জন্য ৮০ টাকা ও তিন ফেজ মিটার স্থাপনের জন্য ৩শ টাকা নির্ধারণ করে টাকা প্রদান করেন। এভাবে প্রায় ২৫ হাজার প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন করা হয়। গত তিন মাসের মিটার স্থাপনের টাকা বকেয়া রয়েছে।

এ অবস্থায় মিটার রিডাররা জানতে পারেন, প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন করতে কোম্পানি এক ফেজ মিটার স্থাপন ব্যয় ১০২৪.০৮ টাকা ও তিন ফেজ মিটার স্থাপন ব্যয় ২৫৯১.৯৩ টাকা নির্ধারণ করে। অথচ প্রকৌশলীরা কমিশন হিসাবে এক ফেজ প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনের জন্য ৮০ টাকা ও তিন ফেজ মিটার স্থাপনের জন্য ৩শ টাকা প্রদান করেছেন। এছাড়া গ্রাহকরা তাদের খুলে নেওয়া সচল মিটারগুলো তাদের কাছে ফেরত চাচ্ছেন। বিষয়টি প্রকৌশলীদের অবগত করলেও তারা কোনো রকম কর্ণপাত করছেন না। এতে উভয় সংকটে পড়েছেন মিটার রিডাররা।

বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডোমার উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কুদ্দুস আইয়ুব বলেন, পিস রেট কর্মচারীরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে জবরদস্তিমূলক প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করছে। সচল মিটার বিক্রি করে দেওয়ায় ওই মিটার রিডিং নিয়ে গ্রাহকের সঙ্গে দেনাপাওনার বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী নওশাদ আলম জানান, ‘নেসকোর প্রজেক্ট ঠিকাদার দেখছে। আমি বা আমার অফিস জড়িত নই। কোনো গ্রাহক সচল মিটার বিক্রি নিয়ে অভিযোগ করেননি। কমিশনের বিষয়ও আমরা জানি না। ঠিকাদার জানে। প্রায় ২৩ হাজার প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।’

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

পঁচিশ হাজার সচল মিটার বিক্রি

পঁচিশ হাজার সচল মিটার বিক্রি

মতলবে জেটি থেকে পড়ে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার রাঙ্গুনিয়ায় বন্ধুর সঙ্গে বেরিয়ে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের

রাঙ্গুনিয়ায় বন্ধুর সঙ্গে বেরিয়ে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে টেকনাফে ১৭ জন উদ্ধার

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে টেকনাফে ১৭ জন উদ্ধার

গণ-অভ্যুত্থানের পর পলায়ন কুয়েতে মাদকসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

কুয়েতে মাদকসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম