Logo
Logo
×

Advertisement

বাংলার মুখ

সোনাইমুড়ী সাবরেজিস্ট্রারের ঘুস-বাণিজ্য

Advertisement

Icon

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

সোনাইমুড়ী উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করা, দলিলপ্রতি মোটা অঙ্কের ঘুস নেওয়াসহ নানা দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। খারিজসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও দলিলপ্রতি মোটা অঙ্কের উৎকোচ না দিলে সাবরেজিস্ট্রার দলিল স্বাক্ষর করছেন না বলে দলিল লেখক ও দাতা গ্রহীতারা অভিযোগ করেছেন। তাছাড়া কর্মস্থলে যোগদানের পর সাবরেজিস্ট্রার সপ্তাহে তিন দিনের বেশি অফিস করেন না বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে দ্বিগুণ উৎকোচের বিনিময়ে জাল কাগজপত্র দিয়েই দলিল করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে। এ অবস্থায় যেসব গ্রহীতা উৎকোচ দিতে অনিচ্ছুক তারা দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আর যারা বাধ্য হয়ে উৎকোচ দিচ্ছেন তারা সীমাহীন ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিন সাবরেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দেখা যায়, দাতা গ্রহীতাদের মধ্যে যারা সাবরেজিস্ট্রার কর্তৃক দলিলপ্রতি নির্ধারিত উৎকোচ জমা দিচ্ছেন তাদের দলিলে বিশেষ চিহ্ন দিয়ে এজলাসে দাখিল করা হচ্ছে। আর যারা উৎকোচ দিচ্ছেন না তাদের কাগজপত্রে বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। সাবরেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলামের চাহিদা অনুযায়ী ঘুস না দেওয়ায় গত বছর মার্চ মাসে বারাইপুর গ্রামের গ্রহীতা শাহাদাত দাতা জয়নাল আবদিন ২১১ নম্বর দলিল থেকে দুটি সাব-কবলা দলিল করে দেন। তার কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা নেন। অথচ ২১১ নাম্বার দলিলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের তদন্ত প্রতিবেদনের সেই নিজের দলিল করেও জাল দলিল লিখে প্রতিবেদন দিয়ে পাঁচজনকে কারাগারে পাঠান। দীন মোহাম্মদ অভিযোগ করেন, উৎকোচ না দেওয়ায় কাগজের ত্রুটি দেখিয়ে গত সপ্তাহে তাদের দলিলটি ফেরত দেওয়া হয়। সাত দিন হয়রানির পর মঙ্গলবার অফিসের সাইফুল আলমের কাছে ১ হাজার ৩০০ টাকা ঘুস দিলে দলিল জমা নেওয়া হয়। বারাইপুর গ্রামের শাহাদাত অভিযোগ করেন, সাবরেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে সাব-কবলা দলিলপ্রতি ১ হাজার ৩০০ টাকা, হেবার ঘোষণা দলিলপ্রতি ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা প্রকাশ্যে ঘুস নিচ্ছেন। আর কাগজের ত্রুটি থাকলে আরও অতিরিক্ত ৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় এমন কয়েকজন দলিল লেখককে তিনি অপমান করে অফিস থেকে বের করে দিয়েছেন। অফিস সহকারী মোল্লার মাধ্যমে তিনি এই ঘুসের টাকা নিচ্ছেন। দলিল লেখক সমিতির সম্পাদক বলেন, ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত দলিলের ক্ষেত্রে পে-অর্ডার বাদে ২ শতাংশ টাকা হাতে নেওয়ার নিয়ম আছে। এছাড়া আর কোনো টাকা নগদ নেওয়ার নিয়ম নেই। কিন্তু আমরা অফিসারদের কাছে জিম্মি। তার বিরুদ্ধে কথা বললে দলিল লেখকদের বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলা রেজিস্ট্রারকে অবগত করেই তিনি অফিসে অনুপস্থিত থাকেন। আর ঘুস নেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

সোনাইমুড়ী সাবরেজিস্ট্রারের ঘুস-বাণিজ্য

সোনাইমুড়ী সাবরেজিস্ট্রারের ঘুস-বাণিজ্য

বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’

‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’

কালীগঞ্জে লাঠি খেলায় দর্শনার্থীর ভিড়

কালীগঞ্জে লাঠি খেলায় দর্শনার্থীর ভিড়

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম