ইশতেহারের অধিকাংশ বিষয় নিয়ে কাজ করেছি
মুহাম্মদ মহিউদ্দীন খান: এজিএস, ডাকসু
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
‘ইশতেহারের অধিকাংশ বিষয় নিয়ে কাজ করেছি, তবে নীতিগত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন ছিল’
দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলো সমাধানেও কাজ করেছে ডাকসু। তবে যেসব সমস্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিগত সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত, সেগুলো সমাধানে প্রশাসনের পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা আমাদের ইশতেহারের বিষয়গুলো নিয়ে যেমন কাজ করেছি, তেমনই শিক্ষার্থীরা যেসব তাৎক্ষণিক সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে এসেছেন, সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করেছি। আমাদের ইশতেহারের প্রায় সব বিষয় আমরা স্পর্শ করেছি এবং কীভাবে কাজ করেছি, সেটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরেছি।
আবাসন সংকট, খাবারের মানের মতো বিষয়গুলো মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক নীতিগত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য শুধু ডাকসুর উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এখানে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। আমরা সেই সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছিলাম, কিন্তু তা যথেষ্ট পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও দৈনন্দিন জীবন সহজ করতে ডাকসু বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সাংস্কৃতিক উদ্যোগ, দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের তথ্য সহায়তা, প্রশাসনিক সহায়তা, এসব জায়গায় আমরা কাজ করেছি। শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন যাতে আরও সহজ ও স্বাভাবিক হয়, সে লক্ষ্যেই আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। কমনরুম, ক্যাফেটেরিয়া এবং নতুন ক্যানটিন চালুর বিষয়েও কাজ করা হয়েছে। কিছু জায়গায় কাজ এগিয়েছে। নতুন ক্যানটিনের বিষয়গুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কিছু জায়গায় টেন্ডার পর্যায়ে গেছে, কিছু জায়গায় স্পেস বরাদ্দের অপেক্ষা শেষ হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম প্রশাসন এসব কাজে সহযোগিতা করবে। প্রশাসন স্বীকার করেছে যে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো বাস্তব এবং এগুলো শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে তারা বলেছে, সময় লাগবে।
