ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়: তারেক রহমান
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এখন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসক ও দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’। দলীয় প্রধানের গুরুতর অসুস্থতার খবর নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। লন্ডনে অবস্থান করলেও ভার্চুয়ালি মা খালেদা জিয়ার শয্যা পাশেই আছেন সন্তান তারেক রহমান। প্রত্যেক মুহূর্তে তিনি মেডিকেল বোর্ড থেকে চিকিৎসার যাবতীয় আয়োজনে নিবিড় যোগাযোগ রাখছেন। স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানও মেডিকেল বোর্ডের সদস্য। এমতাবস্থায় তারেক রহমান কবে দেশে ফিরবেন- এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মতামত তুলে ধরেন নেটিজেনরা। তবে তাদের মতামতকে সম্মান জানিয়ে শনিবার ফেসবুক পোস্টে মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সংকটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে।’ তবে তিনি আরও বলেন, এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তার জন্য অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টে বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দলমত-নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বতো আন্তরিক সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সর্ব প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সর্বজন শ্রদ্ধেয় বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সবার আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার ঐকান্তিক অনুরোধ জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এ বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।
